নিজস্ব প্রতিবেদক
উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে কৃষি জমি অধিগ্রহণ না করে খাস জমি ব্যবহার করার যুগন্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে দাবি করলেন ইউনূস সরকারের পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। যদিও ইউনূস সরকারের এই সিদ্ধান্ত নেওয়ারও দুই বছর আগে ২০২৩ সালের ৬ই ফেব্রুয়ারি তিন ফসলি জমিতে উন্নয়ন প্রকল্প না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার।
আজ ১৭ই সেপ্টেম্বর, বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা।
সভা শেষে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, এখন থেকে কোনো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে খাস জমি অব্যবহৃত রেখে হবে না। সরকারের বহু খাস জমি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। এজন্য উপদেষ্টাদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এই কমিটি সারা দেশে কত পরিমাণ খাস জমি রয়েছে এবং কতটুকু দখল হয়ে আছে, তার একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করবে। আগামী দুই মাসের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দেয়া হবে জানান উপদেষ্টা।
মন্ত্রিপরিষদের সচিব বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের কাছ থেকে তিন ফসলি জমিতে উন্নয়ন ও স্থাপনা তৈরির কাজের জন্য আবেদন পাওয়া যাচ্ছে। সোলার প্যানেল থেকে শুরু করে ভবন তৈরির প্রস্তাব দিয়েছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছিলেন, কোনো তিন ফসলি জমি নষ্ট করা যাবে না এবং প্রকল্প নেওয়া যাবে না। এগুলো সংরক্ষণ করতে হবে। কোনো জমি যেন পতিত না থাকে, এ বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে আসছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সেই নির্দেশনার কথা বর্তমানে ইউনূস সরকারের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত হিসেবে চিঠি দিয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন মন্ত্রিপরিষদের সচিব।
