বিশেষ প্রতিবেদক
যুক্তরাষ্ট্রের বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার একটি সম্পূরক চুক্তিতে পৌঁছেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরসঙ্গী হিসেবে বিমানের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন আজ বুধবার এক হোটেলে এই চুক্তিতে সই করছেন বলে জানা গেছে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান নিয়ে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লেখেন, “বিশ্বসেরা বাণিজ্যিক উড়োজাহাজের আরও ১১টি কেনার চুক্তি পৌঁছানোয় বোয়িং ও বিমানকে অভিনন্দন! যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের জন্য এটি আরেকটি দারুণ অর্জন, যেখানে লাভবান হবে দুই দেশই। আজ নিউইয়র্কে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান দেখার অপেক্ষায় আছি।”
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নতুন এই চুক্তির ফলে বোয়িংয়ের কাছ থেকে বিমানের মোট ক্রয়াদেশ দাঁড়াবে ২৫টি উড়োজাহাজে। এর আগে গত ৩০ এপ্রিল ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে প্রায় ৩৭০ কোটি ডলার মূল্যের এক চুক্তির আওতায় ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার ঘোষণা দিয়েছিল বিমান, যার মধ্যে রয়েছে আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স। ওই চুক্তির উড়োজাহাজ সরবরাহ শুরু হবে ২০৩১ সাল থেকে, শেষ হবে ২০৩৫ সালের মধ্যে।
নতুন ১১টি উড়োজাহাজের মডেল, মূল্য, অর্থায়ন কাঠামো বা সরবরাহের সময়সূচি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি। উল্লেখ্য, বোয়িংয়ের পাশাপাশি ইউরোপীয় নির্মাতা এয়ারবাসের কাছ থেকেও ১০টি উড়োজাহাজ (চারটি এ৩৫০-৯০০ ও ছয়টি এ৩২১নিও) কেনার একটি প্রস্তাব খতিয়ে দেখছে সরকার-নিযুক্ত একটি কারিগরি কমিটি। সব মিলিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ২১টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি চূড়ান্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা বিমানের বহরে সবচেয়ে বড় সম্প্রসারণ হিসেবে বিবেচিত হবে। বর্তমানে বিমানের বহরে রয়েছে ১৯টি উড়োজাহাজ।
