সাফ চ্যাম্পিয়নশীপের ফাইনালে লেপালকে ২-১ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হলো বাংলাদেশের মেয়েরা।
প্রথমার্ধের ভুল পাস আর মিসের মহড়ায় গোলশূন্য ড্র ছিল খেলা। কাঠমুন্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ভালোই সুযোগের সৃষ্টি করেছিল। নেপালী গোলররক্ষকের ভুলে খেলার দ্বিতীয় মিনিটেই সুযোগ এসেছিল বাংলাদেশের তাহুরার সামনে। তাহুরার শট সাইড পোস্টে লাগায় রক্ষা পায় নেপাল।
পালটা আক্রমনে ১০ মিনিটে গোলের নিশ্চিত সুযোগ মিস করে নেপাল। আমিশা কার্কির শট পোষ্টে লাগলে, গোল বঞ্চিত হয় নেপাল। অতিরিক্ত আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় বাংলার মেয়েরা। এর ফলে বাংলাদেশের ফাঁকা রক্ষনভাগের সুযোগ নিয়ে মাঝে মাঝেই প্রতি আক্রমণের সুযোগ সৃষ্টি করে নেপাল দলের আক্রমনভাগ।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই দুই দলই সফলতা পায়।
বাংলাদেশের মনিকা দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই, ৫১ তম মিনিটে গোল দিয়ে এগিয়ে নেয় বাংলাদেশ দলকে। এর ৪ মিনিটের মাথাতেই নেপালের প্রিতী রায় এর ডিফেন্স চেরা নির্ভুল পাস কে গোলে রপান্তরিত করেন আমিশা কার্কি। খেলায় সমতা আসার পরে অনেকবেশী আক্রামনাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে নেপাল। দশরথ স্টেডিয়ামের স্বদেশি দর্শকদের মুহুর্মুহ সমর্থনে জেতার জন্য মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে নেপালের মেয়েরা।
প্রতি আক্রমণে বাংলাদেশের মারিয়া মান্দা’র একটি দৃষ্টিনন্দন ভলি শূন্যে লাফিয়ে লক্ষভ্রষ্ট করে দেন নেপালি গোল রক্ষক অঞ্জলি সুব্বা। দূর থেকে নেপাল বাংলাদেশের গোলবারে বেশ কিছু ব্যার্থ আক্রমন করেও গোলশূন্য থাকে।
খেলার ৮১ মিনিটে বাংলাদেশের শামসুন্নাহার গোলের সূবর্ন সুযোগ মিস করেন। গোল করার জন্য ফাকা পোস্টে খুব সুন্দর জায়গা থেকে সহজ হেড মিস করেন তিনি।
৮২ তম মিনিটে বাংলাদেশের ঋতুপর্না চাকমা দ্বিতীয় গোল করে বাংলাদেশকে প্রায় শেষ মুহুর্তে কাঙ্খিত লিড এনে দেন। স্কোর বাংলাদেশ ২- নেপাল ১।
অতিরিক্ত পাচ মিনিট যোগ হবার পরেও নেপালের মেয়েরা কাঙ্ক্ষিত সমতাসূচক গোলের সন্ধান পায় নাই।
