নিজস্ব প্রতিবেদক::
চলতি বছরে দারিদ্র্য বিমোচনে অগ্রগতি থমকে গেছে বাংলাদেশে। বিশ্বব্যাংকের এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ দেশে দারিদ্র্যের হার বেড়ে ২৩ শতাংশে পৌঁছাতে পারে, যা ২০২২ সালে ছিল ১৮.৭ শতাংশ। বাড়তে পারে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর সংখ্যাও — দৈনিক ২ ডলার ১৫ সেন্টের কম আয়ে চলা মানুষের সংখ্যা বেড়ে ৯.৩ শতাংশে পৌঁছাতে পারে, যা হবে প্রায় ৩০ লাখ নতুন মানুষ।
এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে সরকার জরুরি ভিত্তিতে একটি নতুন জরিপ পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে। পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ জানিয়েছেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো মাঠ পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ করবে, যাতে নতুন করে দরিদ্র হওয়া মানুষের কারণ ও করণীয় সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়। আসন্ন বাজেটে এ শ্রেণির মানুষের জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
বিশ্বব্যাংকের মতে, করোনার পরবর্তী সময়ে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান কাঙ্ক্ষিত হারে বাড়েনি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি। এসব কারণে গত বছরের শেষ দিকে সংকট আরও তীব্র হয়েছে। এ সময় চাকরি হারিয়েছেন প্রায় ৪ শতাংশ শ্রমিক এবং অনেকের আয়ও কমেছে, যা সমাজে বৈষম্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
পরিসংখ্যান ব্যুরোর শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বেকারত্বের হার বেড়ে হয়েছে ৩.৬ শতাংশ, যা আগের বছর ছিল ৩.৪ শতাংশ। সেবা ও কৃষিখাতেই সবচেয়ে বেশি মানুষ কাজ হারিয়েছেন।
