❐ বিডি ডাইজেস্ট ডেস্ক
আজ ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ। বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে অনন্য ও অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বজ্রকণ্ঠে উচ্চারিত হয়েছিল এক কালজয়ী ভাষণ। বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই ভাষণ ইউনেস্কোর হেরিটেজ হিসেবে স্বীকৃত।
জাতির পিতার সেই ভাষণ কেবল একটি রাজনৈতিক বক্তব্য ছিল না, ছিল শোষিত ও বঞ্চিত বাঙালি জাতির রাজনৈতিক স্বাধীনতার ঘোষণা। মাত্র প্রায় ১৮ মিনিটের সেই মহাকাব্যিক ভাষণে ছিল বাঙালির সুদীর্ঘ ইতিহাসের শোষণের ধারাবাহিকতায় পাকিস্তানের দুই দশকের বঞ্চনার ইতিহাস এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের রূপরেখা।
“এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম”- বঙ্গবন্ধুর এই আহ্বান স্বাধীনতা ও মুক্তির জন্য উন্মুখ জাতিকে এক মোহনায় দাঁড় করিয়েছিল। যুদ্ধের এই সূচনা বিন্দু ধরেই স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জিত হয়।
আজ বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এক বিশেষ সময় পার করছে। ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকে যখনই অন্ধকার নেমে এসেছে, যখনই গণতন্ত্র ও মেহনতি মানুষের অধিকার লুণ্ঠিত হয়েছে, তখনই সাতই মার্চের সেই কালজয়ী ভাষণ আমাদের সাহস জুগিয়েছে।
প্রতিটি চড়াই-উতরাই ও দু:সময়ে বঙ্গবন্ধুর সেই অদম্য প্রত্যয় আমাদের নতুন করে উজ্জীবিত করে। আমরা বিশ্বাস করি, সত্য ও ন্যায়ের পথে থাকলে কোনো অপশক্তিই আমাদের দাবিয়ে রাখতে পারবে না। প্রত্যাশিত মুক্তি আমাদের আসবেই।
আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। যারা বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদান করেছেন, সম্ভ্রম হারিয়েছেন; সেইসব মহান ও মহিয়সীদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। সাতই মার্চের উদ্দীপনা বুকে নিয়ে আসুন আমরা সাম্রাজ্যবাদ ও মৌলবাদের দখলমুক্ত সোনার বাংলা গড়ার শপথ নিই।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
আঁধার কেটে ভোর হোক, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
