স্থানীয় সংবাদদাতা
সিরাজগঞ্জ বেলকুচি উপজেলার ভাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নের দেলুয়াকান্দি গ্রামে আধিপত্য বিস্তারের জেরে মিজানুর রহমান (২২) নামের গুপ্ত সংগঠন শিবিরের এক নেতাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে দুর্বৃত্তরা। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সন্ধ্যার দিকে ঢাকার একটি হাসপাতালে মিজানের মৃত্যু হয়।
সংবাদটি ছড়িয়ে পরলে খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে রাতে বিক্ষোভ মিছিল করে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা।
নিহত মিজানুর দেলুয়াকান্দি গ্রামের মৃত আমজাদ শেখের ছেলে ও বেলকুচির ভাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়ন উত্তর উপশাখা শিবিরের সভাপতি ছিল।
স্থানীয়রা জানান, গত ৮ই অক্টোবর সন্ধ্যার পর উত্তর চন্দনগাঁতী গ্রামের একদল যুবক পূর্ব শত্রুতার জেরে হাতুড়িসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মিজানকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। স্থানীয় পর্যায়ে চিকিৎসা শেষে তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আইসিইউতে মৃত্যু হয়।
জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা এ ঘটনার পেছনে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের দোষারোপের চেষ্টা করছেন। কিন্তু স্থানীয়দের মতে মিজান চাঁদাবাজি বা এলাকায় আধিপত্যের জেরে বিএনপির কর্মীদের রোষের শিকার হয়ে থাকতে পারেন।
এ ঘটনায় তার রাজনৈতিক সহকর্মীরা খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ করেন। গুপ্ত সংগঠন শিবির নেতারা বলেন, মিজানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা তার হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি জানাচ্ছি।
এদিকে মিজানুর রহমানের লাশ ঢাকা সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দেলুয়াকান্দি উত্তরপাড়ার বাড়িতে আনা হয়।
বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।
