নিজস্ব প্রতিবেদক:
কোটাবিরোধী আন্দোলন করে দেশে রাজনৈতিক পট-পরিবর্তন করার ‘সাফল্য’ অর্জনের পুরস্কার হিসেবে ‘আন্দোলনকারী কোটা’ ব্যবহার করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পাচ্ছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র (বৈছা) আন্দোলনের আহত-নিহতের পরিবারের সন্তানরা।
সরকারি চাকরিতে অগ্রাধিকারের পর এবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও কোটার সুবিধা পাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। তাদের পরিবারের সন্তানদের জন্য সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ কোটা নির্ধারণ করেছে ড. ইউনূসের অন্তরবর্তী সরকার।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের সরকারবিরোধী আন্দোলনে আহত ও নিহতদের পরিবার এই সুবিধা পাবে।
গত ২০শে ফেব্রুয়ারি কোটা সংক্রান্ত অফিস আদেশ রোববার জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। কোটা সংক্রান্ত এই আদেশ বাস্তবায়নে স্কুল ও কলেজ অধ্যক্ষদের নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।
এই আদেশে বলা হয়েছে, আন্দোলনে আহত বা নিহতের পরিবারের সদস্যদের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে।
আরও বলা হয়, এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচিতি যাচাইয়ে ‘জুলাইযোদ্ধা’ ও নিহতের তালিকা সংক্রান্ত গেজেট যথাযথভাবে যাচাই করে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। কোটা পূরণ করার মত উপযুক্ত কাউকে পাওয়া না গেলে মেধা তালিকা থেকে ওই আসনে ভর্তি করতে হবে। কোনও অবস্থায় আসন শূন্য রাখা যাবে না।
এদিকে কোটাবিরোধী আন্দোলন করে কোটা আদায় করে নেওয়ার এই বিষয়টি দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
