খুন-রাহাজানির ঘটনা বাড়ছেই, সামাল দিতে নাজেহাল অবস্থা পুলিশের

খুন-রাহাজানির ঘটনা বাড়ছেই, সামাল দিতে নাজেহাল অবস্থা পুলিশের
শেয়ার করুন
সংবাদ প্রতিবেদন

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে খুন, ছিনতাই এবং ডাকাতির ঘটনা বেড়েছে। এ পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলার জন্য গুরুতর চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। নানা পদক্ষেপ সত্ত্বেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নাজেহাল অবস্থা পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর।

গত বৃহস্পতিবার ১৯শে ডিসেম্বর দিনে-দুপুরে ঢাকার অদূরে একটি ব্যাংকে ঢুকে ডাকাত দল লোকজনকে জিম্মি করে, পরে তিন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। গতকাল সাভারে ভর সন্ধ্যায় যাত্রীবাহী বাসে ডাকাতদের ছুরিকাঘাতে কয়েকজন যাত্রী গুরুতর আহত হন, খোয়ান মূল্যবান সামগ্রী। এ ছাড়াও ছিনতাইকারীদের প্রাণ হারানোর ঘটনা ঘটছে নিয়মিত। সন্ধ্যার পর মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে, কারণ চুরি-ডাকাতির ঘটনা নিয়মিত বিষয়ে পরিণত হয়েছে। খুনের সংখ্যাও বেড়েছে, লেক, নদী বা খোলা মাঠ থেকে লাশ উদ্ধার করা হচ্ছে।

যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান এবং র‌্যাব-পুলিশের তৎপরতা সত্ত্বেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাচ্ছে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের মুখপাত্র এআইজি (মিডিয়া) ইনামুল হক সাগর বলেন, প্রতিটি ঘটনায় পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছে। আসামিদের গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে। প্রো-অ্যাক্টিভ পুলিশিংয়ের অংশ হিসেবে প্যাট্রলিং ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। গোয়েন্দা তৎপরতাও বৃদ্ধি করা হয়েছে। সারা দেশে পুলিশ সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

কেস স্টাডি

১৮ই ডিসেম্বর সন্ধ্যায় মোহাম্মদপুর শেখেরটেকের ৬নং সড়ক দিয়ে কোচিং সেন্টার থেকে বাসায় ফিরছিলেন হাসিব। ব্যস্ত সড়কে হঠাৎ চার ছিনতাইকারী তার সামনে এসে ধারালো অস্ত্র ঠেকিয়ে মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। আশপাশে লোকজন থাকলেও কেউ এগিয়ে আসেনি। যাওয়ার সময় ছিনতাইকারীরা তাকে শারীরিকভাবে আঘাতও করে। হাসিব জানান, তারা তার পেটে চাপাতি ঠেকিয়ে ভয় দেখিয়ে সবকিছু ছিনিয়ে নেয়।

১৬ই ডিসেম্বর রাত ১১টায় আসাদ গেট এলাকায় যানজটের মধ্যে তিন যুবকের চাপাতি হাতে ঘুরে বেড়ানো এক ভিডিওতে দেখা যায় তারা একটি প্রাইভেটকারের জানালা দিয়ে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে পালিয়ে যায়। সেই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে। একইসাথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমালোচনায় মুখর হয়েছেন সাধারণ মানুষ।

১১ই ডিসেম্বর মধ্যরাতে দারুসসালাম থানার মাজার রোডে শিমুলতলা আবাসিক এলাকায় বাসায় ফিরছিলেন সংবাদকর্মী আসাদুজ্জামান। অফিসের গাড়ি থেকে নেমে গলিতে ঢোকার সময় তিন যুবক তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করে। ধস্তাধস্তির পর তিনি কোনোভাবে তাদের হাত থেকে মুক্তি পান। আসাদুজ্জামান বলেন, ছিনতাইকারীরা আটকালে টাকা ও মোবাইল ফোন চায়, তবে এই ঘটনায় তাকে সরাসরি আক্রমণ করা হয়েছে। তারা সত্যিই ছিনতাইকারী নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্যে তাকে আক্রমণ করেছিল, তা তিনি নিশ্চিত নন।

১৩ই ডিসেম্বর পুরনো ঢাকার বলধা গার্ডেনের সামনে দিনদুপুরে ছিনতাইয়ের শিকার হন ‘এখন টিভি’র সংবাদকর্মী জাহিদ হাসান। তিনি জানান, সকাল ১০টার দিকে নারিন্দার বাসা থেকে রিকশায় অফিসে যাওয়ার পথে একটি মোটরবাইকের তিন আরোহী চাপাতি দেখিয়ে তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।

১৮ই ডিসেম্বর রাতে সায়েদাবাদ এলাকায় ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে প্রাণ হারান হাফেজ কামরুল হাসান। গত ১৬ই ডিসেম্বর হাতিরঝিল এলাকায় ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে গার্মেন্টকর্মী রাকিব নিহত হন। তার একদিন আগে একই এলাকায় ছিনতাইকারীদের হামলায় গুরুতর আহত হাবিবুল্লাহ হাবিব পরে ঢাকা মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজধানী ঢাকা এখন ছিনতাইকারীদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে। অলিগলিতে ধারালো অস্ত্র হাতে তারা ওঁৎ পেতে থাকে। কাউকে একা পেলে কিংবা সহজ শিকার মনে হলে আক্রমণ করে। ছিনতাই এখন শুধু রাতেই নয়, দিনের বেলাতেও ঘটছে। দলবদ্ধ ছিনতাইকারীরা অটোরিকশা বা মোটরবাইকে শহরজুড়ে ঘুরে বেড়ায়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) রেজাউল করিম মল্লিক জানান, ছিনতাই রোধে নিয়মিত অভিযান চলছে। সব এলাকায় গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এবং গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ডিএমপির উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তারকৃত ছিনতাইকারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের সহযোগীদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। যারা আগে থেকেই পেশাদার ছিনতাইকারী হিসেবে চিহ্নিত, তাদের বিষয়ে নিয়মিত খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে।

অপরাধ বেড়ে যাওয়ার কারণ: ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে

জুলাই-আগস্টে সরকারবিরোধী আন্দোলনে অসংখ্য পুলিশ নিহত কিংবা নিখোঁজ হন। বিভিন্ন অসমর্থিত সূত্র মতে এ সংখ্যা ৩ হাজারেরও বেশি। এই শূন্যতা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে শংকায় ফেলেছে। পুলিশের যানবাহন, নিরাপত্তা সরঞ্জাম, অস্ত্র-গোলাবারুদ লুটপাট হয়ে চলে গেছে অপরাধীদের হাতে। জেল ভেঙে ভয়ঙ্কর জঙ্গি ও অপরাধীদের বের করে এনেছে আন্দোলনকারীরা, যাদের অধিকাংশই ধরাছোঁয়ার বাইরে এবং জড়িত হয়েছে অপরাধে। পুলিশে ৪২ হাজারের বেশি সদস্যের রদবদল হয়েছে। অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোয় নতুন পুলিশ সদস্যরা অপরাধীদের তথ্য সংগ্রহে পিছিয়ে রয়েছেন। এ কারণগুলো অপরাধের মাত্রা বাড়িয়ে তুলেছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

পুলিশের এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যারা আগে ঢাকার গোয়েন্দা বিভাগ বা ক্রাইম জোনে কাজ করতেন, তারা ঢাকার অপরাধ প্রবণতা সম্পর্কে ভালোভাবে জানতেন এবং দ্রুত অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতে পারতেন। কিন্তু চলমান ‘সংস্কারের’ আওতায় তাদেরকে অন্যত্র বদলি করে সেখানে নতুন যাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাদেরকে সংশ্লিষ্ট এলাকার অপরাধের ধরন ও অপরাধীদের শনাক্ত করতে কিছুটা সময় লাগছে। এছাড়া শুরুর দিকে পেট্রোলিং কম থাকায় অপরাধ বেড়ে গিয়েছিল, যা বর্তমানে ক্রমান্বয়ে বাড়ানো হচ্ছে।

আরেকটি উদ্বেগজনক তথ্য মিলেছে। জুলাই-আগস্টে সরকারবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের সাথে মূল ভূমিকা পালন করেছিল ঢাকার ও পার্শ্ববর্তী এলাকার ১৩৮টি কিশোর গ্যাং। যাদেরকে সংগঠিত করে এই আন্দোলনে ব্যবহার করা হয়েছে বলে আন্দোলন পরিচালনাকারী প্রধান সমন্বয়করা স্বীকার করেছেন। এই ১৩৮টি কিশোর গ্যাংয়ের ভয়ঙ্কর খুনে কিশোর-তরুণরা এখনো নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে সেই সমন্বয়কদের দ্বারা, যা তারা প্রকাশ্যেই ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে স্বীকার করেছেন। বর্তমানে চুরি-ডাকাতি, ছিনতাইসহ বড় বড় যে সকল অপরাধের ঘটনা ঘটছে, এর পেছনে সম্পৃক্ত রয়েছে এই কিশোর গ্যাংয়ের হাজার হাজার সক্রিয় সদস্য।

পরিস্থিতি পূর্বের চেয়ে ভয়াবহ

পুলিশ সদর দপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য বলছে, সেপ্টেম্বর থেকে খুনের ঘটনা কমলেও তা এখনও অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশি।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে সারা দেশে হত্যার শিকার হয়েছেন ৫৮৩ জন, অক্টোবরে ৩৯৯ জন এবং নভেম্বরে ৩৩৭ জন। তুলনায় ২০২৩ সালে একই সময়ে ছিল সেপ্টেম্বর ২৩৮ জন, অক্টোবর ২৫৮ জন এবং নভেম্বর ২২৭ জন। একই সময়ে রাজধানী ঢাকায় চলতি বছরের নভেম্বরে খুনের মামলা হয়েছে ৫৫টি, অক্টোবরে ৫৭টি এবং সেপ্টেম্বরে ১৪৮টি। বিপরীতে ২০২৩ সালে একই সময়ে মামলার সংখ্যা ছিল নভেম্বরে ১৭টি, অক্টোবরে ১৯টি এবং সেপ্টেম্বরে ১২টি।

ডিএমপির মুখপাত্র ও ডিসি মিডিয়া মোহাম্মদ তালেবুর রহমান জানিয়েছেন, চলতি বছরের নভেম্বরে রাজধানীতে ২৭টি এবং অক্টোবরে ২১টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। সেপ্টেম্বর মাসে এ সংখ্যা ছিল ৪৭টি।

ডিএমপির আরেক কর্মকর্তা জানান, পুলিশ সদর দপ্তরের পরিসংখ্যান মামলার ভিত্তিতে করা হয়। তার দাবি, সরকারবিরোধী আন্দোলনের পর পুরনো অনেক ঘটনায় খুনের মামলা হয়েছে, যা পরিসংখ্যানে সংখ্যাগুলো বাড়িয়ে দিয়েছে।

তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে খুনের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। বিগত এক দশকে এমনটা দেখা যায়নি।

চলতি ডিসেম্বর মাসেই একাধিক খুনের ঘটনা ঘটেছে। ১৮ই ডিসেম্বর যশোরের শার্শা সীমান্ত এলাকা থেকে তিন জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। একই দিন ঢাকার অদূরে পূর্বাচলের একটি লেক থেকে দুই তরুণ-তরুণীর লাশ উদ্ধার করা হয়। ফরিদপুরের সালথায় এক তরুণীর লাশ পাওয়া যায়। পরদিন বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম ও মুন্সীগঞ্জ থেকে পৃথক দুই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়। ১৬ই ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুই যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

গত ১২ই ডিসেম্বর ভোরে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাজবির হোসেনকে দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে হত্যা করে। একই দিনে নারায়ণগঞ্জে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে আহত হন আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী মোহাম্মদ সীমান্ত। দুদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ১৪ই ডিসেম্বর ঢাকা মেডিক্যালে তিনি মারা যান। এই দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর হত্যার ঘটনায় বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন কর্মসূচি পালন করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, দুটি ঘটনার আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কালিয়াকৈরের ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে ৫ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, এক সপ্তাহে মগবাজার ও সায়েদাবাদে ছিনতাইকারীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তিনজন নিহত হয়েছেন। ১০ই ডিসেম্বর খিলগাঁও ও কেরানীগঞ্জে পৃথক ঘটনায় এক কেয়ারটেকার ও এক ব্যবসায়ীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ৮ই ডিসেম্বর রাজধানীর কদমতলী ও বাড্ডায় পৃথক ঘটনায় তিনজন গুলিবিদ্ধ হন।

মামলা নিতে পুলিশের গড়িমসি

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার নির্দেশ দিয়েছেন, যেকোনো ঘটনায় সাহায্যপ্রার্থী থানায় গেলে যেন তাকে ফেরত না পাঠানো হয়। এছাড়া, জিডি নথিভুক্ত হওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যেই রেসপন্স করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে বাস্তবে ছিনতাইয়ের ঘটনায় এখনও অনেক থানা জিডি নিতে আগ্রহী থাকলেও মামলা নেওয়া থেকে বিরত থাকে।

১৮ই ডিসেম্বর রাজধানীর আদাবরের শেখেরটেক ৬নং সড়কে ছিনতাইকারীদের হাতে মোবাইল ও মানিব্যাগ খোয়ান হাসিব। আদাবর থানার পুলিশের পরামর্শে জিডি করেন তিনি। ১১ই ডিসেম্বর দুষ্কৃতিকারীদের হামলায় আহত সংবাদকর্মী আসাদুজ্জামান জানান, থানায় অভিযোগ দিলেও তা নথিভুক্ত করা হয়নি। দারুস সালাম থানার ওসি তাকে জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্ত শেষে মামলা নেওয়া হবে। পুরনো ঢাকায় ছিনতাইয়ের শিকার জাহিদ হাসান অভিযোগ করেন, থানার পক্ষ থেকে তৎপরতা আশা করেননি বলেই তিনি থানায় যাননি।

ডিএমপির মুখপাত্র মোহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, “এভাবে হওয়া উচিত নয়। প্রতিটি ছিনতাই বা ধর্তব্য অপরাধের ঘটনায় মামলা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, পুলিশ এখনও পুরোপুরি সক্রিয় হতে পারেনি। তাছাড়া “যার থানায় মামলা বেশি, তার জবাবদিহি তত বেশি”—এই মনোভাবের কারণে পুলিশ ছিনতাই বা চুরির ঘটনায় সহজে মামলা নিতে চায় না। তবে তার মতে, থানার পুলিশকে প্রতিটি অপরাধে মামলা গ্রহণে মনোযোগী হতে হবে।

Visited 21 times, 1 visit(s) today