বিশেষ প্রতিবেদক
জুলাইযোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির নামে গ্রামীণ ব্যাংকর নামকরণের দাবি জোরালোভাবে উঠেছে জুলাই দাঙ্গায় অংশগ্রহণকারীদের পক্ষ থেকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবং বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে গ্রামীণব্যাংক এবং ওসমান হাদির নামে হ্যাশট্যাগসহ এই দাবি ছড়িয়ে পড়েছে।
আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধকরণ, ভারতীয় আধিপত্যবাদসহ বিভিন্ন ইস্যুতে সোচ্চার ছিলেন হাদি। গত বছরের ১২ই ডিসেম্বর গুলিবিদ্ধ হন এবং পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ নিয়ে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ হয়।
অনুসারীদের দাবি, প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের চিন্তাভাবনা, তার প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ব্যাংক দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে নিয়ে যেমন কাজ করে, তার সাথে হাদির আদর্শ ও চিন্তাভাবনা গভীরভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই গ্রামীণ ব্যাংকের নাম বদলে হাদির নামে রাখলে তা হবে হাদির আত্মত্যাগের প্রতি যথার্থ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। এটি হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।
হাদির অনুসারীদের দাবি, এভাবে নাম বদলে দিলে গ্রামীণ ব্যাংক বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পাবে, সার্বজনীন হয়ে উঠবে।
এই দাবিকে সমর্থকরা শুধু নাম পরিবর্তন হিসেবে নয়, বরং ইতিহাস, আদর্শ ও জাতীয় চেতনার প্রতিফলন বলে অভিহিত করছেন। ইতিমধ্যে বিভিন্ন স্থানে (যেমন- বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবন, নলছিটি লঞ্চঘাট, তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু, কিশোরগঞ্জের সড়ক ইত্যাদি) ওসমান হাদির নামে নামকরণ করা হয়েছে, যা এই দাবির পটভূমি তৈরি করেছে।
হাদির সমর্থকদের পক্ষ থেকে জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে যে, গ্রামীণ ব্যাংকের নাম ওসমান হাদির নামে পরিবর্তন করে তার স্মৃতি রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সংরক্ষণ করা হোক।
তবে এই দাবি নিয়ে এখনও সরকারি বা ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
