তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রির কারণে মার্কিন প্রতিরক্ষা কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিল চীন

তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রির কারণে মার্কিন প্রতিরক্ষা কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিল চীন
শেয়ার করুন

চীন যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের কাছে বড় ধরনের অস্ত্র বিক্রি করছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ১০ জন ব্যক্তি এবং ২০টি মার্কিন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তালিকায় বোয়িংয়ের সেন্ট লুইস শাখা, নর্থরপ গ্রুম্যান এবং এল৩হ্যারিসসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

চীন বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রকে এক চীন নীতি মানতে হবে। তারা বলেছে, তাইওয়ানকে অস্ত্র দেওয়া বন্ধ করতে হবে। চীনের মতে, এসব পদক্ষেপ তাইওয়ান প্রণালীতে শান্তি নষ্ট করছে। তারা বলেছে, চীন তার সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষা করবে।

নিষেধাজ্ঞার ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের চীনে থাকা সম্পদ জব্দ হতে পারে। চীনা সংস্থা ও ব্যক্তি তাদের সঙ্গে ব্যবসা করতে পারবে না। তালিকাভুক্ত ব্যক্তিরা চীনে প্রবেশও করতে পারবেন না।

যুক্তরাষ্ট্র এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, তাইওয়ানের আত্মরক্ষার সহায়তা দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নীতি। তাদের মতে, এই নীতি অঞ্চলটিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

এই পদক্ষেপ আসে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক অস্ত্র বিক্রির ঘোষণার পর। ওই প্যাকেজের মূল্য ছিল প্রায় ১৬.৫ বিলিয়ন ডলার। এটি তাইওয়ানের জন্য অন্যতম বড় অস্ত্র বিক্রি। চীন এই পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ হয়েছে।

চীন তাইওয়ানকে নিজের ভূখণ্ড বলে দাবি করে। তাইওয়ান এই দাবি মানে না। যুক্তরাষ্ট্র আইন অনুযায়ী তাইওয়ানকে আত্মরক্ষার সহায়তা দেয়। এই বিষয়টি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা তৈরি করছে।

অনেকে মনে করেন, এসব নিষেধাজ্ঞা বেশিরভাগই প্রতীকী। কারণ, চীনের সঙ্গে এসব প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা খুব সীমিত। তবে বেসামরিক বিমান খাতে বোয়িংয়ের সঙ্গে চীনের বড় বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। চীন যুক্তরাষ্ট্রকে বলেছে, অস্ত্র বিক্রির বদলে সংলাপের পথে এগোতে।

Visited 6 times, 1 visit(s) today