বেলুচিস্তানের দুর্লভ খনিজ চুরি করে যুক্তরাষ্ট্রে পাচারের অভিযোগ পাকি সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে

বেলুচিস্তানের দুর্লভ খনিজ চুরি করে যুক্তরাষ্ট্রে পাচারের অভিযোগ পাকি সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে
শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক

বেলুচ মুক্তিকামীদের প্রতিনিধি মীর ইয়ার বালুচ অভিযোগ করেছেন, পাকিস্তানের সামরিক প্রধান জেনারেল আসিম মুনির এবং দেশটির নেতৃত্ব মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বেলুচিস্তান থেকে চুরি করা দুর্লভ খনিজ পদার্থ কূটনৈতিক উপহার হিসেবে উপস্থাপন করছে। একইসাথে খনিজ পাচারের অভিযোগও তুলেছেন তিনি।

অফিসিয়াল বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, এই খনিজ পদার্থগুলো পাকিস্তানের সম্পদ হিসেবে দাবি করা হয়েছে। যদিও তা অবৈধভাবে উত্তোলন করা হয়েছে বেলুচিস্তান থেকে। অঞ্চলটি প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ এবং এই উত্তোলন পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর জোরপূর্বক হস্তক্ষেপে সম্পন্ন হচ্ছে।

ইয়ার বালুচ বলেন, “এই খনিজগুলো বেলুচিস্তানের মাটিতে পাওয়া যায়, পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে নয়।”

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে একটি আবেদন জানিয়ে মুক্তিকামী বেলুচিস্তানের ৬ কোটি মানুষের পক্ষ থেকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছেন: “আপনি কি পাকিস্তান সরকারের মতো এক চোরের কাছ থেকে চুরি করা সোনার হার গ্রহণ করতে চান, নাকি বেলুচ মুক্তিকামী জনগণের সঙ্গে বৈধ এবং সম্মানজনক বাণিজ্য সম্পর্ক গড়ে তুলে হাজার হাজার সোনার হার অর্জন করতে চান?”

এই বিবৃতিতে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে ট্রাম্পের মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন, বেলুচ মুক্তিকামী জনগণকে তাদের ভূমির সম্পদের প্রকৃত অধিকারী হিসেবে স্বীকৃতি দিতে এবং বেলুচিস্তানের সম্পদ লুণ্ঠনে সহযোগী না হতে।

মীর ইয়ার বালুচের এই অভিযোগগুলো বেলুচিস্তানের মুক্তিকামী সাধারণ জনগণ এবং পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের মধ্যে চলমান উত্তেজনাকে তুলে ধরেছে। যেখানে নির্মম নিপীড়ন এবং বৈষম্যের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান। সম্পদের প্রাচুর্য থাকা সত্ত্বেও বেলুচিস্তান পাকিস্তানের সবচেয়ে অনুন্নত প্রদেশগুলোর মধ্যে একটি।

Visited 8 times, 1 visit(s) today