এমপির বাড়িতে চাঁদাবাজি: বৈছা সমন্বয়ক গ্যাং সদস্যসহ গ্রেপ্তার, ছাড়িয়ে নিতে তদ্বির শুরু

এমপির বাড়িতে চাঁদাবাজি: বৈছা সমন্বয়ক গ্যাং সদস্যসহ গ্রেপ্তার, ছাড়িয়ে নিতে তদ্বির শুরু
শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর গুলশানে এক নারী সংসদ সদস্যের বাড়িতে দাবিকৃত কোটি টাকা চাঁদা আদায় করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র (বৈছা) আন্দোলনের সমন্বয়ক ও তার গ্যাং সদস্যরা। তারা এখন গুলশান থানার ফোজতে রয়েছেন।

২৬শে জুলাই, শনিবার সন্ধ্যার পর গুলশানের ৮৩ নম্বর রোডে এ ঘটনা ঘটে।

বৈছার ঢাকা মহানগরের সিনিয়র সংগঠক আব্দুর রাজ্জাক বিন সোলায়মান রিয়াদের নেতৃত্বে চাঁদাবাজির এই ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, সমন্বয়কের চাঁদাবাজ গ্যাংয়ের সদস্যদের ছাড়িয়ে নিতে ইতিমধ্যে এনসিপি নেতারা তদ্বির ও দেনদরবার শুরু করে দিয়েছেন।

আটক গ্যাং সদস্যরা হলেন- বৈছা সমন্বয়ক আব্দুর রাজ্জাক রিয়াদ (২৫), ইব্রাহীম হোসেন (২৪), মো. সাকাদাউন সিয়াম (২২), সাদমান সাদাব (২১) ও মো. আমিনুল ইসলাম (১৩)। তারা প্রত্যেকেই জুলাই দাঙ্গায় সহিংসতায় নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ।

উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের সাথে রিয়াদের ঘনিষ্ঠতার দৃশ্য ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।

গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘‘সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাড়িতে চাঁদাবাজির সময় সমন্বয়ক রিয়াদসহ ৫ জনকে আমরা আটক করি। তারা শাম্মী আহমেদের বাড়ি গিয়ে আগে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন। এর আগে ১০ লাখ টাকাও নিয়েছিলেন। শনিবার বাকি টাকা চাইতে ওই বাসায় গিয়েছিলেন। পরে সেখান থেকে পুলিশকে খবর দিলে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসি।”

গ্যাং লিডার রিয়াদ নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বাসিন্দা এবং ধানমন্ডির নিউ মডেল এলাকায় বসবাস করেন। আর ইব্রাহীমের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের রামদাসদী গ্রামে এবং আমিনুল বাড্ডা আলাতুন্নেছো স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণীর ছাত্র। সাদমান সাদার নাটোরের লালপুরের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, কয়েকদিন আগে রিয়াদসহ কয়েকজন আওয়ামী লীগের ওই নারী সাংসদের বাড়িতে গিয়ে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। ওইদিন তারা নগদ ১০ লাখ টাকা নিয়ে আসেন। আজ বাকি টাকা আনতে গেলে তারা হাতেনাতে ধরা পড়েন।

Visited 12 times, 1 visit(s) today