সংবাদ প্রতিবেদন
একজন বিচারপতির রায় পছন্দ না হলে তাকে হাতকড়া পরিয়ে, প্রধান বিচারপতিকে আপনি জেলে দেবেন- এটা আইনের কোথাও বলে নাই। কিন্তু আমাদের দেশে এটাই ঘটেছে। একজন প্রধান বিচারপতিকে রিমান্ড দেওয়া হয়েছে। বিচার বিভাগের এর চেয়ে দুরবস্থা আর কী হতে পারে?
সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেছেন জ্যেষ্ঠ অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। এসময় তিনি বর্তমানে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়েও কথা বলেন।
বিশিষ্ট আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, সাবেক প্রধান বিচারপতির রিমান্ডের মাধ্যমে বিচারবিভাগের গলা টিপে ধরা হয়েছে। এটি বিচার বিভাগের জন্য হুমকিস্বরূপ, অর্থাৎ তোমরাও সাবধান হয়ে যাও ভবিষ্যতে কিন্তু তোমাদেরও এমন হতে পারে।
তিনি বলেন, শত শত আইনজীবী এখন আদালতে যেতে পারেন না। তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। আমি একজন আইনজীবী। আমি যদি কোর্টে না থাকি তাহলে কীভাবে আমার মক্কেলকে প্রটেকশন দেব। কীভাবে তার পক্ষে কথা বলব। সেই অধিকার আজ আইনজীবীদের নেই। তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। এটি মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
অধিকাংশ সাংবাদিক কথাই বলতে পারছেন না বলে উল্লেখ করেছেন এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী।
তিনি বলেন, যে সাংবাদিকরা মাঠপর্যায়ে কাজ করেন, তারা হয়তো অনেক সংবাদ দেন। কিন্তু হাউজগুলো তা ছাপতে পারে না। কারণ ছাপলে হয়তো সন্ধ্যায় ওই মিডিয়া হাউজে হামলা হবে অথবা অফিসের সামনে গরু জবাই দিয়ে খাওয়া-দাওয়া হবে। আর সম্পাদককে মারধর করে উল্টো তাকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হবে।
