নিজস্ব প্রতিবেদক
নোয়াখালীর হাতিয়ায় কোস্ট গার্ড ও পুলিশের যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও লুট করা স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় দুই দুর্ধর্ষ ডাকাত, এক নারী সহযোগী এবং চোরাই স্বর্ণ ক্রেতা এক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে যৌথবাহিনী।
গতকাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হারুন-অর-রশীদ।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার দিবাগত রাত ২টা থেকে পরদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত বিসিজি স্টেশন হাতিয়া ও পুলিশের সমন্বয়ে উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের দুর্গম এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় শামীম ডাকাত বাহিনীর দুই সক্রিয় সদস্য মো. সোহেল (২৩), মো. সুমন উদ্দিন (৩৫) এবং নারী সহযোগী মোছা. পারুল বেগম (৩২) কে ৫টি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম, চেতনানাশক ঔষধ, তামার ওপর স্বর্ণের প্রলেপ দেওয়া ২ ভরি ১২ আনা হাতের চুড়ি এবং ১০ ভরি ১৩ আনা রূপার চোরাই অলংকারসহ আটক করা হয়।
তিনি আরও বলেন, ডাকাতদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বিভিন্ন সময়ে ডাকাতি করা ২০ ভরি ৪ রতি ৮ পয়েন্ট স্বর্ণালংকার সোনাদিয়া ইউনিয়নের মাইজদি বাজারের প্রিয়া জুয়েলার্স থেকে উদ্ধার করা হয়। এসময় চোরাই স্বর্ণ ব্যবসা ও মজুদের সাথে সংশ্লিষ্টতা থাকায় জুয়েলার্সের মালিক উজ্জল বণিক (৪২) কে আটক করা হয়।
আটককৃত ডাকাত ও নারী সহযোগী হাতিয়া উপজেলার বুড়িরচর এলাকার এবং চোরাই স্বর্ণ ব্যবসায়ী ওছখালীর লক্ষীদিয়া এলাকার বাসিন্দা।
জব্দকৃত সকল আলামত ও আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান বিসিজি মিডিয়া কর্মকর্তা।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হারুন-অর-রশীদ জানান, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ২৪ ঘন্টা টহল জারি রাখছে। ফলে উপকূলীয় এবং নদী তীরবর্তী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকাংশে উন্নত হয়েছে।
ভবিষ্যতেও কোস্ট গার্ড এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে বলে জানান এ মিডিয়া কর্মকর্তা।
