দমন-পীড়নের প্রতিবাদ: ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বাহাউদ্দিন নাছিমের বিবৃতি

দমন-পীড়নের প্রতিবাদ: ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বাহাউদ্দিন নাছিমের বিবৃতি
শেয়ার করুন
সংবাদ প্রতিবেদন

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ. ফ. ম. বাহাউদ্দিন নাছিম এক বিবৃতি দিয়েছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ৪ঠা জানুয়ারি ছিল বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, যেটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পথ রচনায় অনবদ্য অবদান রাখা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ আত্মোৎসর্গকারী ছাত্রসংগঠন হিসেবে ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

অবৈধ দখলদার ফ্যাসিস্ট ইউনূস সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বাধা-বিপত্তি সত্ত্বেও, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা যেভাবে নিজেদের জীবন বাজি রেখে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছেন, সেজন্য তিনি কর্মীদের সাহসের প্রশংসা করে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

তিনি বলেন, এই অগণতান্ত্রিক সরকারের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করেই ছাত্রলীগ ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিস্পর্ধার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের ধারক হয়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে নিরন্তর সংগ্রাম করে চলেছেন। তারা বারবার প্রমাণ করেছেন, ছাত্রলীগ কোনো অশুভ শক্তির কাছে পরাজয় স্বীকার করবে না। ছাত্রলীগের নেতৃত্বে সংগঠনের এই ঐতিহ্যবাহী সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, অবৈধ সরকার ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বেআইনি গ্রেপ্তার, হামলা এবং কর্মসূচিতে বাধা সৃষ্টি করছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সহস্রাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং শতাধিক স্থানে হামলা চালিয়ে পাঁচশতাধিক নেতাকর্মীকে আহত করেছে। অনেক জায়গায় কর্মসূচি পালনের ক্ষেত্রে বাধা দেওয়া হয়েছে। তবুও, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ঐতিহ্য রক্ষা করে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে।

বাহাউদ্দিন নাছিম আরও বলেন, ঐতিহ্যবাহী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মহান মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। ফ্যাসিস্ট সরকার দমন-পীড়ন চালিয়ে ছাত্রলীগের আন্দোলন স্তব্ধ করতে চাইলেও তারা জানে না যে, ছাত্রলীগ অপ্রতিরোধ্য। দেশমাতৃকার প্রয়োজনে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জীবন দিতে প্রস্তুত।

তিনি বলেন, এখনও আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, গণতন্ত্র এবং ন্যায্যতার প্রশ্নে ছাত্রলীগ বরাবরের মতো জাতিকে পথ দেখাবে। ফ্যাসিস্ট সরকার যতই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করুক না কেন, ছাত্রলীগের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।

পরিশেষে তিনি “জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক” স্লোগানে বিবৃতির সমাপ্তি টানেন।

Visited 103 times, 1 visit(s) today