‘নিত্যপণ্যের দাম কমাতে সরকারের ২-৩ বছর সময় লাগবে’

‘নিত্যপণ্যের দাম কমাতে সরকারের ২-৩ বছর সময় লাগবে’
শেয়ার করুন
প্রতিবেদক:

দ্রব্যমূল্য সহনশীল করার লক্ষ্যে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দুই থেকে তিন বছর সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মুনসুর।

বৃহস্পতিবার (৭ই নভেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি এ তথ্য জানান।

গভর্নর বলেন, রমজানের আগে কিছু নিত্যপণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে হবে এবং বিশেষ কিছু পণ্যের দাম পর্যবেক্ষণ করতে হবে। এ বিষয়গুলো নিয়েই আজকের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশের বাজারে চালের দাম অন্যান্য দেশের তুলনায় কম। চালের ওপর শুল্ক শূন্য করে দেওয়ার পরও আমদানি কম হয়েছে, কারণ ভারত থেকে আমদানি করলে খরচ বেশি হয়। তাই দেশের চালের বাজারে সরবরাহ নিয়ে বড় কোনো সমস্যা নেই।

এবছর চাল আমদানির প্রয়োজন হবে না বলেও আশা করছেন গভর্নর।

মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে গভর্নর জানান, অক্টোবর মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে, যা কিছুটা স্বাভাবিক। আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্যপণ্যের দাম কম আছে এবং জ্বালানির দামও নেতিবাচক ১৭ শতাংশে অবস্থান করছে, যা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে।

তিনি আরও জানান, আমাদের উদ্দেশ্য অভ্যন্তরীণ বাজারের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা। আমরা বাজার মনিটরিংয়ে জোর দিচ্ছি। তবে বেশি মনিটরিং করলে পণ্যের সংকট তৈরি হতে পারে। সামনে শীতকাল, তাই সবজির দাম কমতে পারে।

গভর্নর আহসান এইচ মুনসুর বলেন, মূল্যস্ফীতি সহনশীল করতে এবং মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করতে আরও কয়েক বছর সময় লাগবে। এ সময়ে সরকার রেশনিং বাড়াচ্ছে, ওএমএসে বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে। বাজারে পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দাম নির্ধারণে কাজ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাজারে পর্যাপ্ত চাহিদা রয়েছে, তাই আমদানি করে চাহিদা পূরণ করা যেতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সময় লাগবে তবে বাজার স্থিতিশীল হবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।

Visited 12 times, 1 visit(s) today