আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী বেলুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্ট (বিএলএফ) নারী যোদ্ধাদের একটি নতুন ইউনিটের সামনে আসার ঘোষণা দিয়েছে। গোষ্ঠীটির দাবি, নবগঠিত এই ইউনিটের সদস্যরা তুরবাত ও কালাতের মাংচার এলাকায় পৃথক অভিযানে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ৯ সদস্যকে হত্যা করেছেন। তবে এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
বিএলএফ সম্প্রতি “কারিমা সশস্ত্র আক্রমণ বিভাগ” (কা’দ) নামে একটি নারী যোদ্ধা ইউনিট গঠনের কথা জানিয়েছে। সোমবার প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, অভিযানের আগে এক নারী কমান্ডার যোদ্ধাদের নির্দেশনা দিচ্ছেন। ভিডিওর বিভিন্ন দৃশ্যে নারী যোদ্ধাদের অস্ত্র হাতে অবস্থান করতে এবং মাংচারে তল্লাশি চালাতে দেখা গেছে।

প্রথম অভিযানে তুরবাতে সেনাবাহিনীর দ্রুত প্রতিক্রিয়া বাহিনীর (কিউআরএফ) একটি গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়, এতে ছয় সেনাসদস্য নিহত হন। পরে কালাতের মাংচারে আরেকটি অভিযানে আরও তিনজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, বিদ্রোহী গোষ্ঠীর তথ্যমতে কালাতের অভিযানটি ছিল এই ইউনিটের দ্বিতীয় অভিযান। বিএলএফের ভিডিও অনুযায়ী, তুরবাতের জোসক এলাকায় সিপিইসি সড়কে কনভয়ে হামলা চালানো হয়।
সেনাবাহিনীর অবস্থান
এই হামলা নিয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আলাদা কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়ায় পৃথক সামরিক অভিযানে সাত সশস্ত্র সদস্য নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে সেনাবাহিনী।
বেলুচিস্তানে নারীদের সশস্ত্র সংশ্লিষ্টতা নতুন নয়। এ বছরের শুরুতে প্রদেশটিতে ভয়াবহ হামলার পর বিএলএ এক নারী আত্মঘাতী হামলাকারীর ভিডিও প্রকাশ করেছিল। তবে নারীদের নিয়ে আলাদা যুদ্ধ-ইউনিট প্রকাশ্যে আনা তুলনামূলক নতুন ঘটনা।
