‘চামড়া তুলে নেবো, জুতা মারো’ স্লোগানে ভীত ফুয়াদ ইসির কাছে নিরাপত্তা চাইলেন

‘চামড়া তুলে নেবো, জুতা মারো’ স্লোগানে ভীত ফুয়াদ ইসির কাছে নিরাপত্তা চাইলেন
শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজ নির্বাচনী এলাকা বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে ‘ফুয়াদের দুই গালে জুতা মারো তালে, ফুয়াদের চামড়া তুলে নেব আমরা’—এমন হুমকিমূলক স্লোগানের মুখে পড়ার পর নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দ্বারস্থ হয়েছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও আসনটির প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। একইসঙ্গে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী রেহা কবির সিগমাও নিরাপত্তার আবেদন জমা দিয়েছেন।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে গিয়ে লিখিত আবেদন জমা দেন ব্যারিস্টার ফুয়াদ। তিনি নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ ও ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
অন্যদিকে কাজী রেহা কবির সিগমা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন, নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ ও আনোয়ারুল ইসলাম সরকারের সঙ্গে দেখা করে লিখিত আবেদন জমা দেন। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট শাখা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সিইসিকে দেওয়া লিখিত অভিযোগে কাজী রেহা কবির সিগমা উল্লেখ করেন, ‘আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন পক্ষপাতমুক্ত, সুষ্ঠু ও সবার জন্য নির্বিঘ্ন করা অন্তর্বর্তী সরকার, নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের অঙ্গীকার ও প্রত্যয়। কিন্তু এসব প্রশ্নবিদ্ধ ও বাধাগ্রস্ত করার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।
বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে অবিলম্বে জড়িত ও দায়ীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার আবেদন করছি।’
উল্লেখ্য, গত ৭ ডিসেম্বর বরিশালের বাবুগঞ্জে মীরগঞ্জ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের তোপের মুখে পড়েন ব্যারিস্টার ফুয়াদ। তাঁকে ঘিরে ‘ভুয়া ভুয়া’সহ ‘ফুয়াদের দুই গালে জুতা মারো তালে, ফুয়াদের চামড়া তুলে নেব আমরা’ স্লোগান দেওয়া হয়। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ইসির কাছে আবেদন করেন তিনি।আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ইসির দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। এ ধরনের আবেদনের পর কমিশন সাধারণত প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।
Visited 24 times, 1 visit(s) today