জাবি প্রতিনিধি
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের ডাকা শাটডাউনের মধ্যেই ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনার পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়ও একই ধরনের নাশকতা ঘটেছে।
রোববার সন্ধ্যায় এ ঘটনায় জড়িত কোনো দূর্বৃত্তকে শনাক্ত করতে পারেনি প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহনশাখা সূত্র জানায়, সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ আগুনের শিখা দেখা গেলে পরিবহন পুলের দিকে ছুটে এসে সংবাদ দেন। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে বাসটির সামনের অংশ পুড়ে যায়। চালক বা কর্মীরা তখন গাড়িতে ছিলেন না।
ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক সংগঠন দায় স্বীকার করেনি।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এক শিক্ষার্থী বলেন, “বাসে আগুনের ঘটনা ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। রাতে চলাচল করতে ভয় লাগছে।”
প্রশাসন জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বাস পার্কিং এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা রাখা হবে।
এদিকে, শাটডাউনের প্রভাবে রোববার সকাল থেকে ঢাকা–আরিচা মহাসড়কে গাড়ির সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম ছিল। জাহাঙ্গীরনগর এলাকার লোকাল বাসগুলোর চালকরা বলছেন, আগুনের ঘটনার পর যাত্রী কমে গেছে, আর তারা সতর্ক অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছেন।
গাবতলী, নবীনগর ও সাভারের অন্যান্য জায়গায়ও গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত পাঁচটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে। এসব ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।
পুলিশ বলছে, রাতের অন্ধকারে মুখ ঢেকে নাশকতার কাজ করায় শনাক্তকরণ কঠিন হয়ে পড়ছে।
