নিজস্ব প্রতিবেদক
টানা পাঁচ কার্যদিবস পতনের পর অবশেষে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সোমবার (১৪ অক্টোবর) সূচকে সামান্য উত্থান দেখা গেছে। বেশিরভাগ সিকিউরিটিজের দর বাড়লেও লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা কমেছে, যা বাজারে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানকেই ইঙ্গিত করছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, এদিন ডিএসইতে ৪০০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়। এর মধ্যে ২৩০টির দর বেড়েছে, ১২০টির কমেছে এবং ৫০টির দর অপরিবর্তিত থাকে। দর বাড়ানো কোম্পানির মধ্যে ‘এ’ ক্যাটাগরির ১৩৭টি, ‘বি’ ক্যাটাগরির ৫৪টি এবং ‘জেড’ ক্যাটাগরির ৩৯টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
সূচকের দিক থেকে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ২৫ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২২৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক (ডিএসইএস) বেড়েছে ৩ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক বেড়েছে ১১ পয়েন্ট।
তবে সূচকের এই সামান্য উত্থান লেনদেনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারেনি। দিনশেষে ডিএসইতে মোট লেনদেন দাঁড়ায় ৫৩০ কোটি টাকা, যা আগের দিনের ৫৪২ কোটি ৫৫ লাখ টাকার তুলনায় ১২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা কম। অর্থাৎ সূচক বাড়লেও বাজারে নতুন অর্থপ্রবাহ তেমন বাড়েনি।
দিনের লেনদেনের শীর্ষে ছিল ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড, যার ২৬ কোটি ৬১ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে। গত কার্যদিবসে শীর্ষে থাকা সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল রিফাইনারি পিএলসি-র লেনদেন ছিল ২৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।
অন্যদিকে দেশের অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) উল্টো চিত্র দেখা গেছে। সোমবার সিএসইর সব সূচকই নিম্নমুখী ছিল, তবে লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে।
দিনশেষে সিএসপিআই সূচক ৩৫ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৭২৭ পয়েন্টে এবং সিএসসিএক্স সূচক ২১ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ৫৬ পয়েন্টে নেমে আসে। এক্সচেঞ্জটিতে ১৭২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়—এর মধ্যে ৭৪টির দর বেড়েছে, ৭৬টির কমেছে এবং ২২টির অপরিবর্তিত ছিল।
সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকা, যা আগের দিনের ১০ কোটি ৩৯ লাখ টাকার তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।
