চা বিরতির ঠিক পূর্ব মুহূর্তে মুশফিকুর রহিমের উইকেট পতনের পর বাংলাদেশ শিবিরে একটা চাপা উদ্বেগ দেখা দেয়। তবে, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত এবং জাকের আলি অনিক সেই দুশ্চিন্তাকে দীর্ঘস্থায়ী হতে দেননি। আলোর স্বল্পতার কারণে খেলা স্থগিত হওয়ার আগে এই দুই ব্যাটসম্যানের দৃঢ়তাপূর্ণ ব্যাটিং বাংলাদেশকে একশ রানের বেশি লিড এনে দেয়।
সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনের খেলা শেষে, বাংলাদেশের হাতে এখনও ৬টি উইকেট অক্ষত এবং তারা ১১২ রানে এগিয়ে রয়েছে। দিনের খেলা নির্ধারিত সময়ের আগে, স্থানীয় সময় ৪টা ৪১ মিনিটে আলো কমে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে যায়। তখন বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৪ উইকেটে ১৯৪ রান। পরবর্তীতে বিকেল ৫টায় দিনের খেলার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
বৃষ্টির কারণে তৃতীয় দিনের প্রথমার্ধের খেলা ভেস্তে যায়। দুপুর একটায় খেলা শুরু হওয়ার পর দিনের বাকি অংশে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খেলা চালানোর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু আলোর স্বল্পতা খেলা থামিয়ে দেয় এবং দিনের মোট ৪৪ ওভারে বাংলাদেশ ১৩৭ রান যোগ করতে সক্ষম হয়, যেখানে জিম্বাবুয়ের বোলাররা ৪টি উইকেট তুলে নেয়।
প্রথম ইনিংসে একটি অপ্রয়োজনীয় শট খেলে ৪০ রানে আউট হওয়া শান্ত দ্বিতীয় ইনিংসে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ২৬ রানে জীবন পাওয়া এই অধিনায়ক ৬০ রানে অপরাজিত রয়েছেন। তার সাথে ২১ রানে অপরাজিত রয়েছেন জাকের আলি। পঞ্চম উইকেট জুটিতে এই দুজন ৯২ বলে ৩৯ রান যোগ করেছেন।
চা বিরতির পর বাংলাদেশ ৪ উইকেটে ১৫৫ রান নিয়ে তাদের ইনিংস শুরু করে। ইনিংসের শুরুতে কিছুটা আক্রমণাত্মক খেললেও, এই সময় শান্ত নিজেকে সংযত করেন। জাকের আলিও ধৈর্য্যের পরিচয় দেন। তারা কোনোভাবেই দলকে আর বিপদের মুখে পড়তে দেননি।
সিলেটের প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৯১ রানে অলআউট হয়ে বাংলাদেশ হতাশ করে। পরবর্তীতে জিম্বাবুয়ের ২৭৩ রানের জবাবে ৮২ রানের লিড পায় তারা। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে ভূমিকা রাখবে।
