অনুসন্ধিৎসু জনতা
গতকাল দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় হাসনাত-সারজিসের বিলাসী জীবনযাপন শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করলেও কিছুক্ষণ পর তা ডিলিট করতে বাধ্য হয়। হাসনাত ফেসবুক স্ট্যাটাসে প্রথম আলোর উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দেন। এরমধ্যেই দেখা যায় হাসনাত-সারজিস দামী গাড়িতে চড়ে শত গাড়ির শোডাউন দিয়ে এলাকায় মিটিং করছে।
এর আগে প্রাথমিকের পাঠ্যবইয়ের ৪০০ কোটি টাকার দুর্নীতি এবং নিয়োগ-বাণিজ্যে এনসিপি এবং সমন্বয়কদের নাম আসলেও এসব নিয়ে কোনো তদন্ত হয়নি। এমনকি দেশের শীর্ষ গণমাধ্যমগুলোতে এসব নিয়ে তেমন কোনো উচ্চবাচ্য শোনা যায়নি।
প্রথম আলোর মত প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমকে যেখানে সংবাদ সরিয়ে নিতে হচ্ছে, সেখানে অন্য পত্রিকাগুলো সংবাদ করার আগ্রহ হারাচ্ছে স্বভাবতই।
এর আগে, পুলিশের আইজিপির বক্তব্যের শিরোনামে সংবাদ করলে তা সরিয়ে পরে প্রথম আলো জানায় এই সংবাদ তাদের নয়। সেখানে বলা হয়েছিল পুলিশ হত্যার বিচার না হলে পুলিশের কাজে অনীহা কমবে না। পরে সেই সংবাদও সরিয়ে ফেলা হয়।
সংবাদ প্রকাশে বাধার মাধ্যমে এনসিপি নেতারা হুট করে কোটিপতি বনে যাওয়ার ঘটনাগুলো আড়াল করতে চায়, এছাড়া বিভিন্ন জেলার সমন্বয়কদের নামে নিয়োগ ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
হাসনাত আব্দুল্লাহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বলেছেন, “প্রথম আলো আজ শিরোনাম করেছে ‘হাসনাতের বিলাসী জীবনযাপন নিয়ে প্রশ্ন’। আমি প্রথম আলোর সেই সাংবাদিককে অনুরোধ করছি, আপনি দয়া করে আমার বাসায় এসে দেখে যান, আমি কত বিলাসী জীবনযাপন করি।”
তাদের দামী গাড়ি চড়া এবং শত শত গাড়ির মহড়া দেওয়া সবাই দেখেছে। যে ছেলেরা ঈদের সময় সালামির জন্য দাঁড়িয়ে থাকত, তাদের আজ এতো বিলাসবহুল জীবনযাপন করা কি স্বাভাবিক? প্রশ্ন রইল।
