মতামত || বিনিয়োগ আনতে ব্যর্থ হয়ে রূপকল্প২০৪১-এ ফিরলো বিডা

মতামত || বিনিয়োগ আনতে ব্যর্থ হয়ে রূপকল্প২০৪১-এ ফিরলো বিডা
শেয়ার করুন

এএসএম শরিফুল হাসান

প্রথমে বললো ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে ৫টা নিয়ে কাজ করবে। বাকিগুলার প্রয়োজন নাই।

“১০০টি নয়, ৫টি অর্থনৈতিক অঞ্চল সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে চায় বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)। সংস্থাটি বলছে, এই পাঁচ অর্থনৈতিক অঞ্চল সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে সবার মধ্যে ইতিবাচক ধারণা তৈরি হবে। তাতে দুই বছরের মধ্যে ৫টি অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১৩৩টি শিল্পকারখানা নির্মাণ, ৫৫০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ এবং প্রায় ২ লাখ ৩৮ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে বলে আশা করছে বেজা।

আশিক বলেন, আমি বিশ্বাস করি, দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের প্রয়োজন হবে না। বাংলাদেশের উন্নয়নে আগামী ১০ বছরে ১০টি অঞ্চল পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে অর্থনৈতিক অঞ্চলের উদ্দেশ্য সফল হবে।”

বিনিয়োগ সন্মেলন শেষে দেখা গেলো, বাছাই করা ৫টা অর্থনৈতিক অঞ্চলে মাত্র ২৪৬ মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ আসছে। তার মানে স্থান, উপযোগীতা আর সুযোগের হেরফেরের কারনে ৫টি অর্থনৈতিক অঞ্চল যথেষ্ট বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে পারে নাই।

চোস্ত ইংলিশে প্রেজেন্টেশন, বিশাল ব্র্যান্ডিং, আর কয়েক লক্ষ টন ফাঁপা বুলি আর ফাপড় শেষে উনাদের অবশেষে বোধদয় হইলো যে, আরো বিশাল বৈদেশিক বিনিয়োগ আনতে গেলে আরো অনেক অনেক অপশন দিতে হবে বিনিয়োগকারীদের।

অবশেষে সিন্ধান্ত নিছে ১০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল বাতিলের এবং বাকি ৯০টির মতো অর্থনৈতিক অঞ্চল বা ইকোনমিক জোন নিয়ে একসাথে কাজ করার।

কী ভাবছিলা আশিক সাহেব, আগে স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিংয়ে যারা ছিলো সবাই কি তোমার মতন নতুন আর নবিশ? কোন প্রপার প্ল্যানিং আর ফিজিবিলিটি স্টাডি ছাড়াই তারা সরকারি আর প্রাইভেট মিলে ১০০+ ইকোনমিক জোন নিয়ে কাজ করছিল?

#ভিশন২০৪১-এর পিছে কতো বড় বড় অর্থনীতিবিদ, গবেষক, বিজ্ঞানী, বিনিয়োগ বিশেষজ্ঞ কাজ করছে তোমার কোন ধারণা আছে? তাদের হয়তো ৫০ লক্ষ টাকা দামের ডিগ্রি নাই, কিন্তু তাদের চুল হাওয়ায় পাকে নাই।

পরিচিতি: অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট

Visited 330 times, 1 visit(s) today