৯ মাসে ১৭১ ছেলে শিশু যৌন সহিংসতার শিকার, মাদ্রাসার ৮১ শিক্ষক অভিযুক্ত: জেএমবিএফ-এর উদ্বেগ

৯ মাসে ১৭১ ছেলে শিশু যৌন সহিংসতার শিকার, মাদ্রাসার ৮১ শিক্ষক অভিযুক্ত: জেএমবিএফ-এর উদ্বেগ
শেয়ার করুন

❐ বিডি ডাইজেস্ট ডেস্ক


চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে বাংলাদেশে ছেলে শিশুদের বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতার ১৩১টি প্রকাশিত ঘটনায় ১৭১ জন ভুক্তভোগী এবং ১৫৬ জন অভিযুক্তের তথ্য নথিভুক্ত করেছে ফ্রান্সভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ)।

সংগঠনটির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এসবের মধ্যে ১২২টি ঘটনায় ১৬১ জন ছেলে শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ছিল ৯টি, এতে ভুক্তভোগী ১০ জন।

বৃহস্পতিবার প্যারিসে নিজেদের ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানায় জেএমবিএফ।

২০২৬ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে ৩০শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রকাশিত ৮২টি জাতীয়, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের ওয়েবসাইট এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত যাচাইকৃত তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

গণমাধ্যম ও বিভিন্ন সংগঠনের কাছেও ইমেইলে বিজ্ঞপ্তিটি পাঠানো হয়েছে।

জেএমবিএফের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও মানবাধিকার আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহানুর ইসলাম ছেলে শিশুদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, ধর্ষণচেষ্টা, দীর্ঘদিনের যৌন নির্যাতন, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

তিনি প্রতিটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, শিশুবান্ধব বিচারিক সহায়তা, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত ও স্বচ্ছ বিচার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আহ্বান জানিয়েছেন।

একই সঙ্গে আবাসিক ও অনাবাসিক ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রতিবেশী এলাকা ও কর্মস্থলে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ভুক্তভোগীদের চিকিৎসা ও মনোসামাজিক সেবা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

মাদ্রাসায় ৭২টি ঘটনা

সংগঠনটির নথিভুক্ত তথ্য অনুযায়ী, ৮৪টি ঘটনায় ১২২ জন মাদ্রাসাশিক্ষার্থী এবং ৩৮টি ঘটনায় অন্যান্য বিদ্যালয়ের ৪০ জন শিক্ষার্থী ধর্ষণ বা ধর্ষণচেষ্টার শিকার হয়েছে। মাদ্রাসায় ঘটেছে এমন ৭২টি ঘটনায় ১০৯ জন ভুক্তভোগীর তথ্য পাওয়া গেছে।

এসব ঘটনায় ৬৫টি ঘটনায় ৮১ জন মাদ্রাসাশিক্ষক ধর্ষণ বা ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন।

জেএমবিএফের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ঘুম থেকে ডেকে নেওয়া, আলাদা কক্ষে নিয়ে যাওয়া, খাবার বা অর্থের প্রলোভন, হত্যার হুমকি এবং ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে এসব সহিংসতা ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

কিছু ঘটনায় কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরও ব্যবস্থা না নেওয়া, পরিবারকে চুপ থাকতে বলা, সালিশে মীমাংসা এবং অভিযুক্তকে পালাতে সহায়তার অভিযোগও এসেছে।

সংগঠনটির মতে, এসব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব ও সম্ভাব্য সহায়তাকারীদের ভূমিকা আলাদাভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন।

দীর্ঘস্থায়ী নির্যাতন, মৃত্যু ও শারীরিক আঘাত

জেএমবিএফের নথিভুক্ত তথ্য অনুযায়ী, ৪৩টি ঘটনায় ৭৭ জন ভুক্তভোগী একাধিকবার বা দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণের শিকার হয়েছে।

এ ধরনের নির্যাতন ঠেকাতে শিশুদের নিরাপদে অভিযোগ জানানোর সুযোগ, অভিভাবকের সঙ্গে যোগাযোগ এবং নিয়মিত তদারকির প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছে সংগঠনটি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ধর্ষণের তিনটি ঘটনার পর তিনজন ভুক্তভোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া ৩১টি ঘটনায় ৪৫ জন ভুক্তভোগীর শারীরিক আঘাতের তথ্য উঠে এসেছে।

আট বিভাগেই ঘটনা, আগস্টে সর্বোচ্চ

জেএমবিএফের তথ্য অনুযায়ী, আটটি বিভাগেই ছেলে শিশুদের ওপর যৌন সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। চট্টগ্রাম বিভাগে ২৯টি ঘটনায় ৩১ জন, ঢাকা বিভাগে ২৮টি ঘটনায় ৩৫ জন, খুলনা বিভাগে ২০টি ঘটনায় ২৯ জন এবং সিলেট বিভাগে ১০টি ঘটনায় ২৫ জন ছেলে শিশু ধর্ষণ বা ধর্ষণচেষ্টার শিকার হয়েছে।

মাসভিত্তিক হিসাবে আগস্টে সর্বোচ্চ ২৯টি ঘটনায় ৩৮ জন এবং সেপ্টেম্বরে ১৭টি ঘটনায় ৩৭ জন ছেলে শিশু ধর্ষণ বা ধর্ষণচেষ্টার শিকার হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

১১৭ ঘটনায় মামলা বা জিডি

সংগঠনটির নথিভুক্ত তথ্য বলছে, ১১৭টি ঘটনায় মামলা বা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে; এসব ঘটনায় ভুক্তভোগীর সংখ্যা ১৩৯।

অন্যদিকে, ১৪টি ঘটনায় মামলা বা জিডি হয়নি, যেখানে ভুক্তভোগী ৩২ জন। ১০১টি ঘটনায় গ্রেপ্তার বা আংশিক গ্রেপ্তারের তথ্য রয়েছে; গ্রেপ্তার ব্যক্তির মোট সংখ্যা ১১৯।

জেএমবিএফ বলেছে, সারাদেশে প্রতিদিন যত ছেলে শিশু যৌন সহিংসতার শিকার হয়, তার তুলনায় সংগঠনটি নগণ্যসংখ্যক ঘটনা নথিভুক্ত করতে পারে। তাদের ভাষ্য, মামলা হওয়া ও অভিযুক্ত গ্রেপ্তারের ঘটনায় তথ্য সামনে এলেও অন্য ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যায় বা অগোচরে থেকে যায়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১১৬টি ঘটনা তদন্তাধীন; এসব ঘটনায় ভুক্তভোগী ১৩৮ জন। কার্যকর তদন্ত এবং শিশুবান্ধব বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

তদন্ত, সুরক্ষা ও সহায়তার দাবি

জেএমবিএফ প্রতিটি অভিযোগের দ্রুত, নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে। অভিযুক্তের পদ, পেশা, সামাজিক প্রভাব বা রাজনৈতিক পরিচয় যেন তদন্তে প্রভাব না ফেলে, সে পরিবেশ নিশ্চিত করারও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

অভিযোগ গোপন করা, ভয় দেখানো এবং অভিযুক্তকে পালাতে সাহায্য করার অভিযোগও তদন্তের আওতায় আনার কথা বলেছে তারা।

শিশু ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শিশুর নাম, ছবি, ঠিকানা, প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শনাক্তযোগ্য সম্পর্ক বা অন্য কোনো পরিচয় প্রকাশ না করার আহ্বান জানিয়েছে জেএমবিএফ। পাশাপাশি নিরাপদে অভিযোগ গ্রহণ এবং সাক্ষী সুরক্ষার ব্যবস্থা চেয়েছে সংগঠনটি।

ভুক্তভোগীদের জন্য শিশুবান্ধব স্বাস্থ্য পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, দীর্ঘমেয়াদি মনোসামাজিক সহায়তা, বিনামূল্যে আইনি সহায়তা এবং পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে তারা। প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য প্রবেশগম্য সহায়তার কথাও বলেছে সংগঠনটি।

মাদ্রাসা, বিদ্যালয়, এতিমখানা ও আবাসিক প্রতিষ্ঠানে শিশু সুরক্ষানীতি, কর্মীদের আচরণবিধি, স্বাধীন অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা, অভিভাবকের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ এবং কার্যকর তদারকি চালুর আহ্বান জানিয়েছে জেএমবিএফ।

যৌন সহিংসতার অভিযোগে সালিশ, অর্থের বিনিময়ে আপস বা পদত্যাগকে তদন্ত ও বিচারিক ব্যবস্থার বিকল্প না করা এবং শিশুর ওপর অভিযোগ প্রত্যাহারের চাপ বন্ধ করারও দাবি জানিয়েছে তারা।

অপ্রাপ্তবয়স্ক অভিযুক্তের ক্ষেত্রে শিশুবান্ধব বিচারিক প্রক্রিয়া ও পরিচয়ের গোপনীয়তা রক্ষার কথা বলেছে সংগঠনটি। জেএমবিএফ মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে ন্যায়সংগত বিচার ও মানবাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ জবাবদিহি চেয়েছে।

রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোকে পরিচয় গোপন রেখে ঘটনা, ভুক্তভোগী, অভিযুক্ত, মামলা, তদন্ত ও বিচারিক ফলাফলের পৃথক এবং নিয়মিত হালনাগাদ পরিসংখ্যান প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি শনাক্ত করার ব্যবস্থাও রাখার দাবি করেছে তারা।

জেএমবিএফ গণমাধ্যম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষকে ছেলে শিশুদের যৌন সহিংসতার অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ এবং ভুক্তভোগীকে দোষারোপ না করার আহ্বান জানিয়েছে।

সংগঠনটির বক্তব্য, শিশু ও পরিবারের নিরাপত্তা এবং মর্যাদা বজায় রেখেই জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

জেএমবিএফের পর্যবেক্ষণকৃত ও নথিভুক্ত তথ্য অনুযায়ী বিস্তারিত পরিসংখ্যান

সূচক সংখ্যা শতাংশ
ঘটনার সংখ্যা ১৩১ ১০০.০০%
ভুক্তভোগীর সংখ্যা ১৭১ ১০০.০০%
অভিযুক্তের সংখ্যা ১৫৬ ১০০.০০%
গ্রেপ্তার ব্যক্তির সংখ্যা ১১৯ ৭৬.২৮%

মাসভিত্তিক হিসাব

মাস ঘটনার সংখ্যা ঘটনার শতাংশ ভুক্তভোগীর সংখ্যা ভুক্তভোগীর শতাংশ
জানুয়ারি ৫ ৩.৮২% ৬ ৩.৫১%
ফেব্রুয়ারি ৪ ৩.০৫% ৪ ২.৩৪%
মার্চ ৪ ৩.০৫% ৪ ২.৩৪%
এপ্রিল ১০ ৭.৬৩% ১১ ৬.৪৩%
মে ২১ ১৬.০৩% ২৬ ১৫.২০%
জুন ২৩ ১৭.৫৬% ২৭ ১৫.৭৯%
জুলাই ১৮ ১৩.৭৪% ১৮ ১০.৫৩%
আগস্ট ২৯ ২২.১৪% ৩৮ ২২.২২%
সেপ্টেম্বর ১৭ ১২.৯৮% ৩৭ ২১.৬৪%
মোট ১৩১ ১০০.০০% ১৭১ ১০০.০০%

বিভাগভিত্তিক হিসাব

বিভাগ ঘটনার সংখ্যা ঘটনার শতাংশ ভুক্তভোগীর সংখ্যা ভুক্তভোগীর শতাংশ
চট্টগ্রাম ২৯ ২২.১৪% ৩১ ১৮.১৩%
রাজশাহী ১৩ ৯.৯২% ১৪ ৮.১৯%
ঢাকা ২৮ ২১.৩৭% ৩৫ ২০.৪৭%
বরিশাল ১১ ৮.৪০% ১৪ ৮.১৯%
খুলনা ২০ ১৫.২৭% ২৯ ১৬.৯৬%
রংপুর ১৪ ১০.৬৯% ১৬ ৯.৩৬%
সিলেট ১০ ৭.৬৩% ২৫ ১৪.৬২%
ময়মনসিংহ ৬ ৪.৫৮% ৭ ৪.০৯%
মোট ১৩১ ১০০.০০% ১৭১ ১০০.০০%

ভুক্তভোগীর সামাজিক পরিচয়

ভুক্তভোগীর পরিচয় ঘটনার সংখ্যা ঘটনার শতাংশ ভুক্তভোগীর সংখ্যা ভুক্তভোগীর শতাংশ
মাদ্রাসাশিক্ষার্থী ৮৪ ৬৪.১২% ১২২ ৭১.৩৫%
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ৩৮ ২৯.০১% ৪০ ২৩.৩৯%
শ্রমজীবী শিশু ৩ ২.২৯% ৩ ১.৭৫%
অন্যান্য ৬ ৪.৫৮% ৬ ৩.৫১%
মোট ১৩১ ১০০.০০% ১৭১ ১০০.০০%

ভুক্তভোগীর বয়সের শ্রেণি

ভুক্তভোগীর বয়স ঘটনার সংখ্যা ঘটনার শতাংশ ভুক্তভোগীর সংখ্যা ভুক্তভোগীর শতাংশ
০–৫ ৩ ২.২৯% ৩ ১.৭৫%
৬–১০ ৭৫ ৫৭.২৫% ১০০ ৫৮.৪৮%
১১–১৫ ৫১ ৩৮.৯৩% ৬৬ ৩৮.৬০%
১৬+ ২ ১.৫৩% ২ ১.১৭%
মোট ১৩১ ১০০.০০% ১৭১ ১০০.০০%

অভিযুক্তের সামাজিক পরিচয়

অভিযুক্তের পরিচয় ঘটনার সংখ্যা ঘটনার শতাংশ অভিযুক্তের সংখ্যা অভিযুক্তের শতাংশ
মাদ্রাসাশিক্ষার্থী ৫ ৩.৮২% ৭ ৪.৪৯%
মাদ্রাসাশিক্ষক ৬৫ ৪৯.৬২% ৮১ ৫১.৯২%
প্রতিবেশী ৩৫ ২৬.৭২% ৪১ ২৬.২৮%
মুয়াজ্জিন ২ ১.৫৩% ২ ১.২৮%
বিদ্যালয়ের শিক্ষক ৬ ৪.৫৮% ৬ ৩.৮৫%
ইমাম ৪ ৩.০৫% ৪ ২.৫৬%
নিয়োগকর্তা ১ ০.৭৬% ১ ০.৬৪%
আত্মীয় ৪ ৩.০৫% ৫ ৩.২১%
অন্যান্য ৯ ৬.৮৭% ৯ ৫.৭৭%
মোট ১৩১ ১০০.০০% ১৫৬ ১০০.০০%

অভিযুক্তের বয়সের শ্রেণি

অভিযুক্তের বয়স ঘটনার সংখ্যা ঘটনার শতাংশ অভিযুক্তের সংখ্যা অভিযুক্তের শতাংশ
১২-১৭ ১৩ ৯.৯২% ২০ ১২.৮২%
১৮-৩০ ৫৪ ৪১.২২% ৬৯ ৪৪.২৩%
৩১-৪০ ২৮ ২১.৩৭% ৩০ ১৯.২৩%
৪১-৫০ ২৪ ১৮.৩২% ২৪ ১৫.৩৮%
৫১-৬০ ৯ ৬.৮৭% ৯ ৫.৭৭%
৬১-৭০ ২ ১.৫৩% ২ ১.২৮%
৭১-৮০ ১ ০.৭৬% ২ ১.২৮%
মোট ১৩১ ১০০.০০% ১৫৬ ১০০.০০%

সহিংসতার ধরন

সহিংসতার ধরন ঘটনার সংখ্যা ঘটনার শতাংশ ভুক্তভোগীর সংখ্যা ভুক্তভোগীর শতাংশ
ধর্ষণের অভিযোগ ১২২ ৯৩.১৩% ১৬১ ৯৪.১৫%
ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ৯ ৬.৮৭% ১০ ৫.৮৫%
মোট ১৩১ ১০০.০০% ১৭১ ১০০.০০%

ঘটনাস্থলের ধরন

ঘটনাস্থল ঘটনার সংখ্যা ঘটনার শতাংশ ভুক্তভোগীর সংখ্যা ভুক্তভোগীর শতাংশ
মাদ্রাসা ৭২ ৫৪.৯৬% ১০৯ ৬৩.৭৪%
প্রতিবেশী এলাকা ২৪ ১৮.৩২% ২৪ ১৪.০৪%
অভিযুক্তের বাড়ি ১৩ ৯.৯২% ১৩ ৭.৬০%
মসজিদ ৪ ৩.০৫% ৫ ২.৯২%
কর্মস্থল ২ ১.৫৩% ২ ১.১৭%
আত্মীয়ের বাড়ি ৪ ৩.০৫% ৫ ২.৯২%
বিদ্যালয় ৩ ২.২৯% ৩ ১.৭৫%
বাগান বা ক্ষেত ১ ০.৭৬% ১ ০.৫৮%
অন্যান্য ৮ ৬.১১% ৯ ৫.২৬%
মোট ১৩১ ১০০.০০% ১৭১ ১০০.০০%

পুনঃপুন নির্যাতন ও ব্যবহৃত কৌশল

পুনঃপুন নির্যাতন ঘটনার সংখ্যা ঘটনার শতাংশ ভুক্তভোগীর সংখ্যা ভুক্তভোগীর শতাংশ
হ্যাঁ ৪৩ ৩২.৮২% ৭৭ ৪৫.০৩%
না ৮৮ ৬৭.১৮% ৯৪ ৫৪.৯৭%
মোট ১৩১ ১০০.০০% ১৭১ ১০০.০০%

ব্যবহৃত কৌশল ঘটনার সংখ্যা ঘটনার শতাংশ ভুক্তভোগীর সংখ্যা ভুক্তভোগীর শতাংশ
হুমকি বা ভয়ভীতি ১৭ ১২.৯৮% ১৯ ১১.১১%
জবরদস্তি ৮৮ ৬৭.১৮% ১২৪ ৭২.৫১%
প্রলোভন ২৩ ১৭.৫৬% ২৫ ১৪.৬২%
ব্ল্যাকমেইল ১ ০.৭৬% ১ ০.৫৮%
শারীরিক আক্রমণ ১ ০.৭৬% ১ ০.৫৮%
অন্যান্য ১ ০.৭৬% ১ ০.৫৮%
মোট ১৩১ ১০০.০০% ১৭১ ১০০.০০%

মামলা বা জিডি এবং গ্রেপ্তারের অবস্থা

মামলা বা জিডি ঘটনার সংখ্যা ঘটনার শতাংশ ভুক্তভোগীর সংখ্যা ভুক্তভোগীর শতাংশ
হ্যাঁ ১১৭ ৮৯.৩১% ১৩৯ ৮১.২৯%
না ১৪ ১০.৬৯% ৩২ ১৮.৭১%
মোট ১৩১ ১০০.০০% ১৭১ ১০০.০০%

গ্রেপ্তারের অবস্থা ঘটনার সংখ্যা ঘটনার শতাংশ ভুক্তভোগীর সংখ্যা ভুক্তভোগীর শতাংশ
গ্রেপ্তার ৯৯ ৭৫.৫৭% ১১৯ ৬৯.৫৯%
গ্রেপ্তার হয়নি ২৮ ২১.৩৭% ৪৮ ২৮.০৭%
পলাতক ১ ০.৭৬% ১ ০.৫৮%
আংশিক গ্রেপ্তার ২ ১.৫৩% ২ ১.১৭%
প্রযোজ্য নয় ১ ০.৭৬% ১ ০.৫৮%
মোট ১৩১ ১০০.০০% ১৭১ ১০০.০০%

সর্বশেষ অবস্থা

সর্বশেষ অবস্থা ঘটনার সংখ্যা ঘটনার শতাংশ ভুক্তভোগীর সংখ্যা ভুক্তভোগীর শতাংশ
তদন্তাধীন ১১৬ ৮৮.৫৫% ১৩৮ ৮০.৭০%
প্রযোজ্য নয় ১৪ ১০.৬৯% ৩২ ১৮.৭১%
শুধু অভিযোগ ১ ০.৭৬% ১ ০.৫৮%
মোট ১৩১ ১০০.০০% ১৭১ ১০০.০০%

প্রেস বিজ্ঞপ্তিটি জেএমবিএফের সহকারী মহাসচিব মোসা. জান্নাতুল ফেরদৌসের পক্ষ থেকে পাঠানো হয়েছে।

সংস্থাটির ঠিকানা সিএনবি প্রাঙ্গণ, ১৮০ বুলেভার্ড উসমান, ৭৫০০৮ প্যারিস, ফ্রান্স।

Visited 16 times, 5 visit(s) today