প্রকাশিত হয়েছে ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অরের জন্য মনোনীত ফুটবলারদের তালিকা, আর শুরুতেই এটি জন্ম দিয়েছে দারুণ সব চমকের।
আগামী মাসে লন্ডনে বসতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই ব্যক্তিগত পুরস্কার প্রদানের জমকালো আসর। তার আগে মঙ্গলবার উয়েফার ‘সঙ্গে’ যৌথভাবে অফিসিয়াল প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছে ফ্রান্স ফুটবল।
বর্তমান ফুটবলের বড় তারকাদের অনেকে এই তালিকায় জায়গা পেলেও, কয়েকজন নামী তারকা ও কোচের বাদ পড়া ফুটবলপ্রেমীদের বেশ অবাক করেছে।
বার্সেলোনার হয়ে অসাধারণ একটি মৌসুম কাটানোর পরও ছেলেদের ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার রাফিনিয়া। একই ‘সঙ্গে’ তার ক্লাব সতীর্থ পেদ্রি ও দানি ওলমোও চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পেতে ব্যর্থ হয়েছেন।
তবে নারী বিভাগে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে স্পেনের আইতানা বনমাতির অনুপস্থিতিতে—যিনি কিনা গত তিনবারের ব্যালন ডি’অর বিজয়ী ছিলেন।
এছাড়া বার্সেলোনার কোচ হানসি ফ্লিকও বাদ পড়েছেন বর্ষসেরা কোচের মনোনীতদের তালিকা থেকে।
অনেক বড় নাম আগেই প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যাওয়ায় এখন প্রতি বিভাগে বিশ্বসেরা নির্বাচনের ভোটাভুটি আরও জমজমাট হয়ে উঠেছে।
আগামী ২৬ অক্টোবর, সোমবার লন্ডনে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে ব্যালন ডি’অর।
২০২৬ ব্যালন ডি’অর: পুরুষ বিভাগে মনোনীত ফুটবলারদের তালিকা
-
জুদ বেলিংহাম
ইংল্যান্ড, রিয়াল মাদ্রিদ।
৫২ ম্যাচ, ১৫ গোল, ৬ অ্যাসিস্ট, ৮ হলুদ কার্ড, ০ লাল কার্ড।
ট্রফি: নেই।
-
পাও কুবারসি
স্পেন, এফসি বার্সেলোনা।
৬২ ম্যাচ, ১ গোল, ২ অ্যাসিস্ট, ৫ হলুদ কার্ড, ১ লাল কার্ড।
ট্রফি: বিশ্বকাপ, লা লিগা, স্প্যানিশ সুপার কাপ।
-
মার্ক কুকুরেয়া
স্পেন, চেলসি/রিয়াল মাদ্রিদ।
৬৫ ম্যাচ, ২ গোল, ৭ অ্যাসিস্ট, ১৩ হলুদ কার্ড, ১ লাল কার্ড।
ট্রফি: বিশ্বকাপ।
-
উসমান দেম্বেলে
ফ্রান্স, পিএসজি।
৫১ ম্যাচ, ২৬ গোল, ১৪ অ্যাসিস্ট, ১ হলুদ কার্ড, ০ লাল কার্ড।
ট্রফি: চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ, ইউরোপীয় সুপার কাপ, লিগ ১, ফ্রেঞ্চ সুপার কাপ।
-
লুইস দিয়াজ
কলম্বিয়া, বায়ার্ন মিউনিখ।
৬৬ ম্যাচ, ৩০ গোল, ২৩ অ্যাসিস্ট, ১০ হলুদ কার্ড, ২ লাল কার্ড।
ট্রফি: বুন্দেসলিগা, জার্মান কাপ, জার্মান সুপার কাপ।
-
ব্রুনো ফার্নান্দেস
পর্তুগাল, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।
৫১ ম্যাচ, ১৩ গোল, ২৫ অ্যাসিস্ট, ৭ হলুদ কার্ড, ০ লাল কার্ড।
ট্রফি: নেই।
-
গাব্রিয়েল
ব্রাজিল, আর্সেনাল।
৫৯ ম্যাচ, ৪ গোল, ৬ অ্যাসিস্ট, ৬ হলুদ কার্ড, ০ লাল কার্ড।
ট্রফি: প্রিমিয়ার লিগ।
-
আরলিং হালান্ড
নরওয়ে, ম্যানচেস্টার সিটি।
৬৪ ম্যাচ, ৫৮ গোল, ১১ অ্যাসিস্ট, ৩ হলুদ কার্ড, ০ লাল কার্ড।
ট্রফি: এফএ কাপ, ইএফএল কাপ।
-
আশরাফ হাকিমি
মরক্কো, পিএসজি।
৪৯ ম্যাচ, ৪ গোল, ১৭ অ্যাসিস্ট, ৬ হলুদ কার্ড, ১ লাল কার্ড।
ট্রফি: আফ্রিকা কাপ অব নেশনস (সিএএস-এর সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল), চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ইউরোপীয় সুপার কাপ, লিগ ১।
-
হ্যারি কেইন
ইংল্যান্ড, বায়ার্ন মিউনিখ।
৬৫ ম্যাচ, ৭৩ গোল, ৮ অ্যাসিস্ট, ৩ হলুদ কার্ড, ০ লাল কার্ড।
ট্রফি: বুন্দেসলিগা, জার্মান কাপ, জার্মান সুপার কাপ।
-
খভিচা কভারাতসখেলিয়া
জর্জিয়া, পিএসজি।
৫৭ ম্যাচ, ২৪ গোল, ১০ অ্যাসিস্ট, ৪ হলুদ কার্ড, ০ লাল কার্ড।
ট্রফি: চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ, ইউরোপীয় সুপার কাপ, লিগ ১, ফ্রেঞ্চ সুপার কাপ।
-
লামিন ইয়ামাল
স্পেন, এফসি বার্সেলোনা।
৫৭ ম্যাচ, ২৫ গোল, ২০ অ্যাসিস্ট, ৬ হলুদ কার্ড, ০ লাল কার্ড।
ট্রফি: বিশ্বকাপ, লা লিগা, স্প্যানিশ সুপার কাপ।
-
সাদিও মানে
সেনেগাল, আল নাসর।
৫৫ ম্যাচ, ২৪ গোল, ১৩ অ্যাসিস্ট, ৮ হলুদ কার্ড, ১ লাল কার্ড।
ট্রফি: সৌদি প্রো লিগ।
-
মারকুইনহোস
ব্রাজিল, পিএসজি।
৪৩ ম্যাচ, ২ গোল, ০ অ্যাসিস্ট, ৩ হলুদ কার্ড, ০ লাল কার্ড।
ট্রফি: চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ, ইউরোপীয় সুপার কাপ, লিগ ১, ফ্রেঞ্চ সুপার কাপ।
-
লাউতারো মার্তিনেস
আর্জেন্টিনা, ইন্টার মিলান।
৫৫ ম্যাচ, ৩০ গোল, ১০ অ্যাসিস্ট, ৯ হলুদ কার্ড, ০ লাল কার্ড।
ট্রফি: সিরি আ, ইতালিয়ান কাপ।
-
কিলিয়ান এমবাপ্পে
ফ্রান্স, রিয়াল মাদ্রিদ।
৬০ ম্যাচ, ৫৮ গোল, ১৩ অ্যাসিস্ট, ৮ হলুদ কার্ড, ০ লাল কার্ড।
ট্রফি: নেই।
-
নুনো মেন্দেস
পর্তুগাল, পিএসজি।
৫৩ ম্যাচ, ৭ গোল, ৮ অ্যাসিস্ট, ৫ হলুদ কার্ড, ০ লাল কার্ড।
ট্রফি: চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ, ইউরোপীয় সুপার কাপ, লিগ ১, ফ্রেঞ্চ সুপার কাপ।
-
লিওনেল মেসি
আর্জেন্টিনা, ইন্টার মায়ামি।
৪৯ ম্যাচ, ৪৫ গোল, ৩০ অ্যাসিস্ট, ৪ হলুদ কার্ড, ০ লাল কার্ড।
ট্রফি: এমএলএস।
-
জোয়াও নেভেস
পর্তুগাল, পিএসজি।
৪৯ ম্যাচ, ১১ গোল, ৪ অ্যাসিস্ট, ২ হলুদ কার্ড, ০ লাল কার্ড।
ট্রফি: চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ, লিগ ১, ফ্রেঞ্চ সুপার কাপ।
-
মাইকেল অলিসে
ফ্রান্স, বায়ার্ন মিউনিখ।
৬৯ ম্যাচ, ২৭ গোল, ৩৫ অ্যাসিস্ট, ১৩ হলুদ কার্ড, ০ লাল কার্ড।
ট্রফি: বুন্দেসলিগা, জার্মান কাপ, জার্মান সুপার কাপ।
-
উইলিয়ান পাচো
ইকুয়েডর, পিএসজি।
৫৬ ম্যাচ, ২ গোল, ১ অ্যাসিস্ট, ৩ হলুদ কার্ড, ০ লাল কার্ড।
ট্রফি: চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ, ইউরোপীয় সুপার কাপ, লিগ ১, ফ্রেঞ্চ সুপার কাপ।
-
হুলিয়ান কুইনিয়োনেস
মেক্সিকো, আল কাদসিয়াহ।
৪৬ ম্যাচ, ৪১ গোল, ৫ অ্যাসিস্ট, ৫ হলুদ কার্ড, ০ লাল কার্ড।
ট্রফি: নেই।
-
ডেক্লান রাইস
ইংল্যান্ড, আর্সেনাল।
৬৯ ম্যাচ, ৮ গোল, ১৪ অ্যাসিস্ট, ৯ হলুদ কার্ড, ০ লাল কার্ড।
ট্রফি: প্রিমিয়ার লিগ।
-
রদ্রি
স্পেন, ম্যানচেস্টার সিটি/এফসি বার্সেলোনা।
৪৬ ম্যাচ, ২ গোল, ০ অ্যাসিস্ট, ৬ হলুদ কার্ড, ১ লাল কার্ড।
ট্রফি: বিশ্বকাপ, এফএ কাপ, ইএফএল কাপ।
-
ফাবিয়ান রুইজ
স্পেন, পিএসজি।
৪৫ ম্যাচ, ৩ গোল, ৬ অ্যাসিস্ট, ৪ হলুদ কার্ড, ০ লাল কার্ড।
ট্রফি: বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ, ইউরোপীয় সুপার কাপ, লিগ ১, ফ্রেঞ্চ সুপার কাপ।
-
উইলিয়াম সালিবা
ফ্রান্স, আর্সেনাল।
৬০ ম্যাচ, ১ গোল, ১ অ্যাসিস্ট, ৩ হলুদ কার্ড, ০ লাল কার্ড।
ট্রফি: প্রিমিয়ার লিগ।
-
ফেরান তোরেস
স্পেন, এফসি বার্সেলোনা/পিএসজি।
৬৫ ম্যাচ, ২৫ গোল, ৭ অ্যাসিস্ট, ৩ হলুদ কার্ড, ০ লাল কার্ড।
ট্রফি: বিশ্বকাপ, লা লিগা, স্প্যানিশ সুপার কাপ।
-
দাইওত উপামেকানো
ফ্রান্স, বায়ার্ন মিউনিখ।
৫৮ ম্যাচ, ২ গোল, ৪ অ্যাসিস্ট, ৯ হলুদ কার্ড, ১ লাল কার্ড।
ট্রফি: বুন্দেসলিগা, জার্মান কাপ, জার্মান সুপার কাপ।
-
ভিনিসিয়াস জুনিয়র
ব্রাজিল, রিয়াল মাদ্রিদ।
৬৬ ম্যাচ, ২৮ গোল, ১৬ অ্যাসিস্ট, ১১ হলুদ কার্ড, ০ লাল কার্ড।
ট্রফি: নেই।
-
ভিতিনহা
পর্তুগাল, পিএসজি।
৬৪ ম্যাচ, ৭ গোল, ১০ অ্যাসিস্ট, ৩ হলুদ কার্ড, ০ লাল কার্ড।
ট্রফি: চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ, ইউরোপীয় সুপার কাপ, লিগ ১, ফ্রেঞ্চ সুপার কাপ।
