মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় ‘ককাস অব আমেরিকা ইন ন্যাশনাল পার্লামেন্ট অব বাংলাদেশ’

মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় ‘ককাস অব আমেরিকা ইন ন্যাশনাল পার্লামেন্ট অব বাংলাদেশ’
শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে যুক্তরাষ্ট্র-সম্পর্ক জোরদার এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে গঠিত হয়েছে ‘ককাস অব আমেরিকা ইন ন্যাশনাল পার্লামেন্ট অব বাংলাদেশ’। ১০ সদস্যের এ ককাসের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সংসদ সদস্যদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ এবং বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

ককাসের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য ড. মো. ওসমান ফারুক। কো-চেয়ারম্যান হয়েছেন সংসদ সদস্য ড. মো. মাহবুবুর রহমান।

এ ছাড়া ককাসের অন্য সদস্যরা হলেন- নওশাদ জমির, আন্দালিব রহমান, রাজাকারপুত্র হুম্মাম কাদের চৌধুরী, আখতার হোসেন, রাজাকারপুত্র মীর আহমাদ বিন কাসেম, নিপুণ রায় চৌধুরী, সানজিদা ইয়াসমিন এবং মারদিয়া মমতাজ।

 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ককাসটির মূল লক্ষ্য বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংসদীয় কূটনীতি জোরদার করা, দুই দেশের আইনপ্রণেতাদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়, গণতন্ত্র, সুশাসন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, নিরাপত্তা ও শিক্ষা-সংক্রান্ত সহযোগিতা সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখা।

 

এদিকে, সম্প্রতি ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘এ ফ্রিডম ২৫০ মিউজিক্যাল পারফরম্যান্স’ অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রে ককাস অব আমেরিকা ইন ন্যাশনাল পার্লামেন্ট অব বাংলাদেশ-এর নাম যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের সঙ্গে যৌথ আয়োজক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে ককাসটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এর সম্পৃক্ততা নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

 

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের মতে, বিদেশি কোনো রাষ্ট্রকে কেন্দ্র করে সংসদীয় ককাস গঠন নতুন নয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পার্লামেন্টে বিভিন্ন রাষ্ট্র বা অঞ্চলভিত্তিক ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ বা পার্লামেন্টারি ককাস রয়েছে, যেগুলোর উদ্দেশ্য মূলত সংসদীয় কূটনীতি ও পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করা। তবে এসব ককাসের কার্যক্রম, স্বচ্ছতা এবং জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্য নিয়েও সময়ে সময়ে প্রশ্ন ওঠে।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও ককাসটির কার্যক্রম কতটা জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে পরিচালিত হবে এবং সংসদীয় কূটনীতিতে কী ধরনের ভূমিকা রাখবে, সেটিই হবে পর্যবেক্ষণের বিষয়।

Visited 91 times, 1 visit(s) today