স্পোর্টস ডেস্ক
নাহিদ রানার বলে শাহীন আফ্রিদি কুপোকাত হয়ে ক্যাচ দিলেন শর্ট লেগে। সেটা যিনি ধরলেন তার নাম মাহমুদুল হাসান জয়। জয় নিশ্চিতের মুহুর্তে থাকা সেই জয়ের জার্সি নম্বর আবার ‘৭১’। নেটিজেনরা এটাকে উল্লেখ করে বলছেন, পাকিস্তান আসলে একাত্তরে সব সময় পরাজিত হয়।
পাকিস্তানকে মিরপুর টেস্টে ১০৪ রানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গিয়েছে বাংলাদেশ। এই টেস্টে হয়েছে কিছু রেকর্ড।
পরিসংখ্যানের আয়নায় মিরপুর টেস্ট
নাহিদ রানার কীর্তি:
নাহিদ রানা টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪০ রান খরচায় ৫ উইকেট শিকার করেছেন। বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে কোনো পেসারের দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম। এছাড়া দীর্ঘ ১৬ বছর পর দেশের মাটিতে কোনো বাংলাদেশি পেসার ৫ উইকেটের দেখা পেলেন। এর আগে ২০১০ সালে চট্টগ্রামে ভারতের বিপক্ষে ৭১ রান দিয়ে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন শাহাদাত হোসেন।
পাকিস্তানের বিপক্ষে সাফল্য:
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এটি বাংলাদেশের টানা তৃতীয় টেস্ট জয়, তবে দেশের মাটিতে প্রথম। এর আগে দুই দলের মধ্যকার ১৩টি টেস্টের ১২টিতেই জিতেছিল পাকিস্তান, একটি ড্র হয়েছিল। বাংলাদেশের আগের জয় দুটি ছিল রাওয়ালপিন্ডিতে। মিরপুর টেস্টের আগে ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলা ৮টি টেস্টের মধ্যে ৭টিতেই হারতে হয়েছে টাইগারদের, যার মধ্যে কেবল ২০১৫ সালের খুলনা টেস্টটি ড্র হয়েছিল।
অধিনায়ক শান্তর রেকর্ড:
অধিনায়ক হিসেবে ১৭তম ম্যাচে এসে সপ্তম টেস্ট জয়ের দেখা পেলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। এর আগে মুশফিকুর রহিম ৩৪ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে সাতটি জয় পেয়েছিলেন। জয়ের সংখ্যার হিসেবে নাজমুল হোসেন শান্ত এখন মুশফিকের সঙ্গে যৌথভাবে বাংলাদেশের সফলতম টেস্ট অধিনায়ক।
