গাজীপুরে আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মনোনয়নে বাধা

গাজীপুরে আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মনোনয়নে বাধা
শেয়ার করুন

বিডি ডাইজেস্ট প্রতিবেদক
গাজীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র উত্তোলনে বাধা প্রদান এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। আজ রবিবার (১০ মে) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাধারণ আইনজীবীরা।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আইনজীবীদের এই ঐতিহ্যবাহী সংগঠনে গণতান্ত্রিক চর্চা বজায় রাখা এবং যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচনের জন্য একটি অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশ অপরিহার্য। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহলের বাধার কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা তাদের সাংবিধানিক ও পেশাগত অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া এবং পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়া প্রত্যেক সদস্যের মৌলিক অধিকার হওয়া সত্ত্বেও এই প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। যা সমিতির মর্যাদা ও ভাবমূর্তিকে চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে।

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের লড়াইয়ে নামতে চাওয়া একঝাঁক আইনজীবীর মনোনয়ন উত্তোলনে বাধা দেওয়া হয়। ক্ষতিগ্রস্ত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন,সভাপতি পদে আলহাজ্ব এডভোকেট আব্দুস সোবাহান, এডভোকেট নূরুন্নবী মোল্লা এবং এডভোকেট এমরান হোসেন। সাধারণ সম্পাদক পদে এডভোকেট মেহেদী হাসান রাজীব, এডভোকেট বরকত আলী অভি, এডভোকেট কাজী আলম, এডভোকেট আসলাম শিকদার, এডভোকেট মাকসুদুল আলম খান এবং এডভোকেট নূরুল ইসলাম। অন্যান্য পদের মধ্যে সহ-সভাপতি পদে এডভোকেট মোজাম্মেল হক মিন্টু; সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে এডভোকেট মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, এডভোকেট মোঃ রাজীব আহম্মেদ রাসেলসহ ৫ জন; কোষাধ্যক্ষ পদে এডভোকেট এস এম খালেদ মাহমুদ রাব্বিসহ ৩ জন; এছাড়াও লাইব্রেরি সম্পাদক, অডিটর, মহিলা সম্পাদিকা এবং সদস্য পদে আরও ১৯ জন আইনজীবী মনোনয়ন উত্তোলনে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন।

বিক্ষুব্ধ আইনজীবীরা জানিয়েছেন, গাজীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির মতো একটি সম্মানজনক স্থানে এমন অগণতান্ত্রিক আচরণ মেনে নেওয়া যায় না। তারা অবিলম্বে এই অচলাবস্থা নিরসন করে সকল যোগ্য প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

এই ঘটনার ফলে আইনজীবী পাড়ায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। সাধারণ ভোটাররা মনে করছেন, যোগ্য প্রার্থী নির্বাচনে বাধা দিলে সমিতির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব সংকটে পড়বে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

Visited 4 times, 1 visit(s) today