নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান কারুশিল্প ও ফ্যাশন ব্র্যান্ড আড়ং আজ আনুষ্ঠানিকভাবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নিজের নাম লিখিয়েছে।
আড়ংয়ের ধানমন্ডি ফ্ল্যাগশিপ আউটলেটকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে “বিশ্বের সবচেয়ে বড় কারুশিল্পের দোকান” হিসেবে। এই স্বীকৃতি শুধু আড়ং-এর জন্য নয়, বরং বাংলাদেশের হস্তশিল্প ঐতিহ্য ও কারিগরদের সৃজনশীলতার জন্য একটি বড় জাতীয় গৌরব।
গিনেস কর্তৃপক্ষ ধানমন্ডি ফ্ল্যাগশিপ আউটলেটের বিশাল আকার, বৈচিত্র্যময় পণ্যের সমাহার, কারিগরদের জীবন্ত প্রদর্শনী, ঐতিহ্যবাহী নকশা ও আধুনিক ফিউশনের অনন্য অভিজ্ঞতাকে বিবেচনা করে এই রেকর্ড প্রদান করেছে।
দোকানটিতে হাজার হাজার কারিগরের হাতে তৈরি নকশীকাঁথা, জামদানি, বাঁশ-বেতের কাজ, মাটির শিল্পকর্ম, তামা-পিতলের নকশা, হাতে বোনা কাপড়সহ অসংখ্য ঐতিহ্যবাহী পণ্য এক ছাদের নিচে সাজানো রয়েছে—যা বিশ্বের অন্য কোনো কারুশিল্পের দোকানে এত বড় আকারে একত্রিত করা সম্ভব হয়নি।

এই রেকর্ড ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে আড়ং শুরু করেছে একটি দেশব্যাপী উদযাপন। দেশের ১০টি আড়ং আউটলেটে স্থাপন করা হয়েছে বিশেষ পপ-আপ গ্যালারি, যেখানে ধানমন্ডি ফ্ল্যাগশিপের রেকর্ডের গল্প, কারিগরদের জীবনকাহিনি এবং এই অর্জনের পেছনের প্রচেষ্টা তুলে ধরা হয়েছে।
এই গ্যালারিগুলোর মাধ্যমে সাধারণ মানুষও এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারবেন।
আড়ং-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “এই গিনেস রেকর্ড শুধু আমাদের একটি দোকানের স্বীকৃতি নয়, এটি বাংলাদেশের লাখ লাখ কারিগর, তাঁতি, শিল্পী ও নারী উদ্যোক্তাদের সম্মিলিত সাফল্য। আমরা এই অর্জনকে উৎসর্গ করছি আমাদের দেশের হস্তশিল্প ঐতিহ্যকে।”
এই খবরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। অনেকে এটিকে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক পরিচয়ের জন্য একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখছেন।
