❐ জেলা প্রতিনিধি
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার পল্লীতে শিশু সন্তানদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়েছে। এছাড়াও তাকে শারীরিক নির্যাতনসহ সঙ্গে থাকা নগদ ৪ লাখ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কারও লুট করা হয়।
১৪ই ফেব্রুয়ারি, শনিবার সন্ধ্যায় ওই নারী চরফ্যাশন থানায় মামলা করেছেন। এর দুই দিন আগে ঘটনাটি ঘটেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করে তিনি।
ওই গৃহবধু এলাকার নুর করিম, হানিফ ও নাজমুলকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
জানা গেছে, গত মঙ্গলবার গৃহবধূ জমি কেনার জন্য ব্যাংক থেকে ৪ লাখ টাকা তুলে বাড়িতে ফিরছিলেন। পরদিন বুধবার সকালে ওই টাকা জমির মালিককে দেওয়ার কথা ছিল তার। এ জন্য টাকা নিজ ঘরে রাখেন। তিন শিশু সন্তান নিয়ে ওই বাড়িতে বসবাস করা নারীর স্বামী চট্টগ্রামে নিজ কর্মস্থলে ছিলেন। এই সুযোগে তিন বখাটে তার পিছু নিয়ে সন্তানদের জিম্মি করে।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে মামলার এজাহারে ওই নারী উল্লেখ করেন, ঘটনার দিন রাতে খাবার খেয়ে তিনি সন্তানদের নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। ভুলবশত ঘরের সিঁড়ির চিলেকোঠার ফটক খোলা ছিল। গভীর রাতে ঘরে কারও হাঁটার শব্দ শুনে তিনি সজাগ হন। এ সময় নুর করিম ও তার সঙ্গীরা হামলা চালিয়ে ওই নারীর হাত ও মুখ বেঁধে রাখে এবং ৪ লাখ টাকা ও দুই ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ ঘরের সব মালামাল লুট করে। এসময় শিশু সন্তানদের অস্ত্রের মুখে অন্য একটি কক্ষে আটকে রাখা হয় এবং গৃহবধূকে নুর করিম, হানিফ ও নাজমুল ধর্ষণ করে।
ঘটনার একপর্যায়ে শিশুরা চিৎকার-কান্নাকাটি করলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে গৃহবধূকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
চরফ্যাশন থানার ওসি জাহাঙ্গীর শাহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় মামলার পর আসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।
