বিশ্লেষণ।। গণভোট: বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয়াকে অস্থিতিশীল করার পায়তাড়া (১ম পর্ব)

বিশ্লেষণ।। গণভোট: বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয়াকে অস্থিতিশীল করার পায়তাড়া (১ম পর্ব)
শেয়ার করুন

 বাংলাদেশ পর্ব-১

এক.

বাংলাদেশে এখন “গণভোট” শব্দটি শুনতে কারু কারু কাছে আকর্ষণীয় বোধ হতে পারে। দীর্ঘ রাজনৈতিক অচলাবস্থা, চরম অবিশ্বাস, মাসের পর মাস ক্রমবনতির দিকে যেতে থাকা অর্থনৈতিক অচলাবস্থা এবং কষ্ট-ক্লান্তির মধ্যে গণভোটকে কেউ কেউ হয়তো এক ধরণের শর্টকাট সমাধান হিসেবে দেখছেন। কিন্তু এ ভাবনাটি ভুল।

এই মুহূর্তে গণভোট সমস্যার সমাধান নয়, সমস্যাকে আরো জটিল ও ঘণীভূত করার পায়তাড়া।

এ কথা গণ্য—গণভোট গণতান্ত্রিক পদ্ধতি। কিন্তু সব গণতান্ত্রিক পদ্ধতি সব পরিস্থিতিতে কার্যকর হয় না। ইতিহাস বলছে, বিভক্ত সমাজে, দুর্বল প্রতিষ্ঠানে, আর অনির্বাচিত শাসনের অধীনে গণভোট প্রায়ই নতুন সংকট তৈরি করে (IDEA, 2022)।

বাংলাদেশে ফেব্রুয়ারীতে যে “গণভোট“ সংঘটনের তোড়জোড় চলছে, তা ভালো না খারাপ সে বিতর্কে না গিয়েও বলা যায় দেশের বিরাজমান বাস্তবতায় গণভোট একটি  Worst case Scenario. গণভোটের প্রয়োজনীয়তা ও গণভোটের কার্যকারিতা, যে বিষয়েই কথা বলুন না কেন, প্রেক্ষাপটই সবকিছু নির্ধারণ করে।

দুই.

কীভাবে এটি Worst case Scenario?

পাঁচটি দিক থেকে বিচার করা যায় যে আগামী গণভোট গোটা দুনিয়ার গণভোটের ইতিহাস বিচারে একটি মন্দতম পদক্ষেপ। শুরু করা যাক এই মৌলিক প্রশ্ন দিয়ে—কে গণভোট আয়োজন করছে , কোন ক্ষমতাবলে এবং জনগণের সাথে তার কি সম্পর্ক?

গণভোট আয়োজন করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। অন্তর্বর্তী সরকার এক ধরণের ট্রানজিশনাল বা ক্ষমতার পালাবদলকালের সহায়ক সরকার। এ সরকারের মূল দায়িত্ব হচ্ছে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা, ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখা এবং রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার জন্য এমন একটি পরিবেশ তৈরী করা যেখানে সব দল অংশগ্রহণ করে নির্বাচন সুসম্পন্ন করতে পারে। অন্য কথায়, এ সরকার মাঠ তৈলী করবে, সবখেলোয়াড়ের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে, সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং নিরপেক্ষ থাকবে।

রাষ্ট্রের কাঠামো বদলানো, রাজনৈতিক ব্যবস্থার মৌলিক দিক নির্ধারণ করা বা দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্ত নেওয়া সাধারণত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ম্যান্ডেটের মধ্যে পড়ে না। গণভোটের মাধ্যমে বড় ধরণের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে সেটি সাংবিধানিক সীমা অতিক্রম করে। এটা সরকারের ও রাষ্ট্রের জন্য এক বা একাধিক ঝুঁকি তৈরি করে—বিশেষ করে যখন সংসদ অনুপস্থিত বা দূর্বল থাকে (বাংলাদেশের সংবিধান, অনুচ্ছেদ ৭ ও ১১)।

তিন.

ফেব্রুয়ারীর গণভোটকে জনগণের সিদ্ধান্তরূপে বাধ্যতামূলক দেশের জনগণের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। জনগণ এ পদক্ষেপের প্রতিবাদ করতে পারছে না। দেশের আইন ও জনসুরক্ষার প্রতিষ্ঠারগুলোকে অকার্যকর করে দিয়ে মবের শাসনে দেশ চালাচ্ছে সরকার। এই মবগোষ্ঠীর হাতে প্রতিদিন সাধারণ মানুষ লুণ্ঠিত ও নিহত হচ্ছে, তাদের সয়-সম্পত্তি জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তাদের অওয়ামী ট্যাগ দিয়ে পথে বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে বা এ্যারেষ্ট করে জেলে পাঠানো হচ্ছে। অল্প কিছু  জামাতে ই ইসলাম তাদের সাথে যুক্ত ইসলামীদলগুলো এবং কতিপয় এলিট নারী ব্যতিত গোটা নারী সমাজকে ইসলামি শরিয়া মানতে বাধ্য করছে নানাভাবে নগরে-বন্দরে, পথে-ঘাটে ও গ্রামে -গঞ্জে নারী সমাজ চরম হেনস্তার শিকার হচ্ছে পর্দা না করার কারণে। অথচ বাংলাদেশ মুক্ত সমাজের দেশ; এখানে বহুভাষী, বহুসংস্কৃতি ও বহুধর্মের  মানুষ তার নিজ নিজ বৈশিষ্ট্য নিয়ে বেঁচে ছিলেন এতদিন। এখন তাদের সেই স্বাভাবিক বৈচিত্র্যে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে, তাদের মানতে বাধ্য করার পদক্ষেপ হিসেবে শাস্তির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ওদিকে জামায়াত দেশের বাইরে শরিয়া রাষ্ট্র করবে না বলে মিথ্যে প্রচারণা চালাচ্ছে।

গণভোটের প্রক্রিয়াটি জনসাধারণের মুখ দিয়ে ‘হাঁ; উত্তর বের করে এ সরকারের সব বেআইনী অবৈধ সংস্কার-কার্যক্রম বৈধ করিয়ে নেওয়ার একটি কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। গণভোটের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নগুলো অস্পষ্ট, বহুস্তরীয় এবং  রাজনৈতিক উদ্দেশ্যতাড়িত। গণভোটের মাধ্যমে জনগণকে আবোল তাবোল বুঝিয়ে এসব সংস্কারকার্য পাশ করিয়ে নিতে পারলে দেশের বাইরের ও ভেতরের নানা শক্তির প্রভাবে রাষ্ট্রের মৌলিক চেহারা ও খোল নলচে বদলে দেয়া যাবে। এমন মৌলিক কোনো পরিবর্তন ঘটানো একটি বে-আইনী প্রক্রিয়ায় ক্ষমতায় আসা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধিকারের বাইরে। কিন্তু ইউনুসের নেতৃত্বে এই সরকার সেদিকেই হাঁটছে। তারা জনগণের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে এই গণভোট। জনগণ এটা মানতে বাধ্য নয়।

চার.

গণভোটের প্রশাসন  নিরপেক্ষ নয়, এমন কি বর্তমানে নিরাপত্তা বাহিনীও পক্ষপাত দোষে দুষ্ট।এমন সময় এই গণভোট পরিকল্পনা করা হচ্ছে যখন প্রধান বড় রাজনৈতিক শক্তিগুলো, যারা রাষ্ট্রের জন্ম ও বিকাশের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত তাদেরই অন্যায়ভাবে আইন সংশোধনের মাধ্যমে বলপূর্বকভাবে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা হয়েছে।

এই গণভোট এমন সময় সংঘটিত করার চক্রান্ত চলছে যখন বাংলাদেশকে ইসলামী রাষ্ট্রে রূপান্তরের ষড়যন্ত্রে নিয়োজিত জামাত-ই-ইসলামী এবং তার সহযোগী দলসমূহের জোটকে ক্ষমতায় আনতে মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে গঠিত সরকার পূর্ণোদ্যমে মদদ দিচ্ছে। সে লক্ষ্যে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে দেশের সকল প্রতিষ্ঠানসহ গণমাধ্যমও অধিকার করা হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই থেকে এসব গণমাধ্যম ব্যবহার করে বিভ্রান্তি, মিথ্যে তথ্য ও ষড়যন্ত্রমূলক সংবাদ ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে।

পাঁচ.

অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে গণভোটের ঝুঁকি ও সমস্যাবলি জনগণের বোঝা অত্যন্ত জরুরী। সে আলোচনায় যাওয়ার পূর্বে আসুন গণভোটের উদ্দেশ্য কী এবং কখন তা কার্যকর হয় এ বিষয়টি খতিয়ে দেখা যাক।

সাধারণত গণভোট তখনই যৌক্তিক হয়, যখন একটি স্থিতিশীল সাংবিধানিক ব্যবস্থা বিদ্যমান থাকে,  তা পরিচালনার জন্য নিরপেক্ষ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান থাকে, সব রাজনৈতিক পক্ষ “গণভোট“খেলাটির নিয়ম মোটামুটি মেনে নেয় এবং গণভোটের প্রশ্ন স্পষ্ট ও সীমিত থাকে। এর কোনোটিই বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে দৃশ্যমান নয়।

গণভোট সবচেয়ে কার্যকর হয় সেই সমাজে যেখানে এক ধরণের রাজনৈতিক ও সামাজিক সমঝোতা বিরাজমান এবং দেশে রাষ্ট্রের নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈধতা রয়েছে অথচ কোনো একটি সুস্পষ্ট ও সীমাবদ্ধ সাংবিধানিক প্রশ্নে গণভোট জরুরী হয়ে পড়েছে। বর্তমান বাংলাদেশ এসব শর্ত স্পষ্টভাবে পূরণ করার অবস্থানে নেই, কেননা দেশে চরম অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা, সংবিধান লংঘনের ধারাবাহিক ঘটনা ঘটে চলেছে এবং জনগণের ও দেশের নিরাপত্তাহীনতা ঝুঁকিতে রয়েছে।

ছয়.

বলা অমুলক হবে না যে বাংলাদেশে এখন গণতন্ত্রকে হত্যা করা হচ্ছে প্রতিদিন।

বিশ্বব্যাপী দেখা গেছে, সমাজকে বলপূর্বক মেরুকরণ করে রূপান্তরের প্রয়াসের যে কোনও প্রেক্ষাপটে গণভোট আয়োজিত হলে প্রথমত সেই গণভোট গণ-বিভাজনকে প্রকটতর করে তোলে, যেমন দেখা গেছে ব্রেক্সিট এর সময়। এ ধরণের গণভোট চরমকর্তৃত্ববাদীদের সংহতিকে বৈধতা দেয়। এ সময়ে জনগণের সাময়িক আবেগকে পুঁজি করে কিছু এলিট জনগণের নামে অপরিবর্তনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। দেখা গেছে, খুব কমক্ষেত্রেই এসব সিদ্ধান্ত ভঙ্গুর কিম্বা আহত গণতন্ত্রকে স্থিতিশীল করতে সক্ষম হয়েছে।

সাত.

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারীর বারো তারিখের গণভোট জনগণের সরল বিশ্বাসকে ভ্রান্তপথে পরিচালনার এক প্রয়াস। এখানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে কারণ তাদের দরকার বিশ্বে দেখানো যে জনগণ তাদের বৈধতা দিয়েছে। তারা প্রমাণ করতে চাইছে যে ‘এ সরকারের জনপ্রিয়তা বৈধ‘ তাদের এ দাবী সঠিক। তাদের আকাঙ্ক্ষা করছে এই গণভোট তাদের দেশের গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক বিষয়গুলো সম্পূর্ণ বদলে ফেলার এখতিয়ার দেবে।

কিন্তু বাস্তবে এ গণভোট দেশ বিষয়ক জটিল প্রশ্নগুলোকে দ্ব্যর্থবোধক প্রশ্নের স্তরে নামিয়ে এনেছে। জনগণের বিপুল ত্যাগে ও শ্রমে এবং রক্তপাতে ১৯৭১ সালে যেসব মূল্যবোধ থেকে বাংলাদেশের জন্ম সে সব মূল্যবোধ ও প্রতিশ্রুতিকে পদদলিত করে চলেছে সরকার। সংখ্যালঘুর মতামতকে নগণ্য করে তুলেছে। স্বাধীনতার রক্ষক যে জনগণ সকল মানুষের অধিকারে বিশ্বাসী তাদের বিরোধী দলে ঠেলে দিয়ে বৃহত্তর জনসংখ্যাকে ১৯৭১ এর বয়ান বিষয়ে মুখ বন্ধ করে রাখতে বাধ্য করছে।  এ সরকার রাজনীতিকে সরিয়ে দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে এবং তারপর বিগত সতের মাসে রাজনীতির পুণর্গঠনের বদলে নিপীড়ন, হত্যা ও বিনাবিচারে আটকের মাধ্যমে স্তব্ধ করে দিয়েছে।

ফলে সমস্যা গণভোটে আগামীতের সমস্যা বহুমাত্রিক হবে। বাংলাদেশের সমস্যা কাঠামোগত—দ্বিমাত্রিক নয়।

আট.

আসুন দেখি এসব চরম পথ গ্রহণ না করে এ সরকার কি করতে পারতো। ২০২৪ এর ষড়যন্ত্রমূলক সহিংস অভ্যুত্থানের পর ইসলামীদলগুলো ও কোটা প্রতিবাদকারীদের দ্বারা গঠিত সরকার মবতন্ত্র দ্বারা দেশ পেরিচালনা করছে। আঠারো মাস পর গণভোট এবং একতরফা ইসলামিক দলগুলো ও তাদের জোটের সাজানো নির্বাচন জনগণের ওপর বলপূর্বক চাপিয়ে দিচ্ছে। এ পথে না গিয়ে বরং সরকার বাংলাদেশের জনগণকে দিতে পারতো সেই সহায়তা যা এক ধ্বংসাত্মক সময়ে এ দেশের প্রয়োজন ছিল: যেমন,

১. অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো যে বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে সে সব পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া শুরু করতে পারতো;

২. একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পথে যেতে পারতো;

৩. সংসদীয় বিতর্ক ও আলোচনার পরিবেশ রক্ষায় ব্রতী হতে পারতো;

৪. ব্যাপক সম্মতির ভিত্তিতে ধাপে ধাপে সংস্কার প্রয়োজন হলে সংস্কারের পথ মুক্ত করতে পারতো।

সুস্পষ্টভাবে বললে বলা যায় এখন বাংলাদেশের গণভোট দরকার নেই।

 নয়.

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে—মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে গণভোট আয়োজনের ঝুঁকি নানাবিধ: তিনি আন্তর্জাতিকভাবে পশ্চিমাবিশ্বে নোবেল পুরষ্কার পাওয়া ব্যক্তি হিসেবে পূজনীয় হতে পারেন, দেশের অভ্যন্তরে তিনি অনির্বাচিত। সে কারণেই গণভোট আয়োজন তার গণতান্ত্রিক সীমার বাইরে পড়ে।  কিন্তু সে সীমা অতিক্রম করেই মুহাম্মদ ইউনুস নিজের ও তার ধামাধরা কিছু মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত তথাকথিত এলিটের নিয়ন্ত্রণে দেশ পরিচালনায় একর পর এক অদক্ষতা দেখিয়ে চলেছেন এবং জনগণকে বিপন্নতা ও তাদের মতামতকে উপেক্ষা করছেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একদিকে জনপ্রতিনিধিত্বের ভূমিকাকে পদদলিত করেছেন, অপরদিকে  অভিজাত কিছু দেশী ও বিদেশীয় ব্যক্তির ‘যা খুশী তাই করি‘র ইচ্ছে দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করছেন বাংলাদেশ। সাথে আছে তার অনুগামী অযৌক্তিক বিকৃত বয়ান বলে যাওয়া একটি নব্য গোষ্ঠী যারা নয়া ব্যবস্থঅ প্রতিষ্ঠা করতে চায়।  দেশে প্রাতিষ্ঠানিক অস্থিতিশীলতা চলমান থাকা অবস্থায় জনগণকে জোর করে ভয় দেখিয়ে বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে গণভোট দিতে বাধ্য করার মাধ্যমে সরকার নিজের ফ্যাসিস্ট পরিচয় বুঝিয়ে দিচ্ছে। এর ফলে ভোট-পরবর্তী বৈধতার সংকটেএ সরকারের কাটবে না বরং আরো বাড়বে।

ঙ্গুর রাজনৈতিক এই সময়ে দ্রুতগতিতে যা ইচ্ছে তাই করা যথোপযুক্ত ও প্রফেশনাল আচরণ নয়, বরং অর্বাচীনতার পরিচায়ক। প্রক্রিয়াই গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তিত্ব নয় গণতন্ত্রে প্রতিষ্ঠান সক্ষম হওয়া কার্যকর রাখাই অতীব জরুরী।

 

লেখক পরিচিতিঃ
জাহানারা নুরী
সাংবাদিক, লেখক
সুইডেন

চলবে……

Visited 25 times, 1 visit(s) today