ভারতের ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল জয়ের পর রেকর্ড ইনিংস খেলা জেমিমা রদ্রিগেজকে বার্তা পাঠান বাংলাদেশের তরুণ পেসার মারুফা আক্তার—যেখানে ফুটে ওঠে নারীদের ক্রিকেটে পারস্পরিক সহানুভূতি, প্রেরণা ও স্বপ্ন ভাগাভাগির সুন্দর এক উদাহরণ।
বৃহস্পতিবার নবি মুম্বাইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জেমিমার অপরাজিত ১২৭ রানের ইনিংস ভারতের জয় এনে দেয় পাঁচ উইকেটে। ৩৩৯ রানের রেকর্ড লক্ষ্য তাড়া করে জিতে ভারত পৌঁছে যায় রবিবারের ফাইনালে, যেখানে প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা। ১৪টি চার সমৃদ্ধ এই ইনিংসেই থেমে যায় অস্ট্রেলিয়ার শিরোপা রক্ষা করার যাত্রা, আর নিশ্চিত হয় নতুন চ্যাম্পিয়ন।
জেমিমাকে নিয়ে যখন ক্রিকেট বিশ্বে তুমুল মাতামাতি তখন তাতে সামিল হন বাংলাদেশের পেসার মারুফা। ইন্সটাগ্রামে তিনি জেমিমার ছবি পোস্ট করে লেখেন, ‘জেমি দিদি, তুমি আমাদের এমন দারুণ এক ম্যাচ উপহার দিয়েছো! সত্যি বলতে, আমি ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। তোমার জন্য সবসময় প্রার্থনা করব।‘
তিনি আরও যোগ করেন, “ত’মি যেন দলকে আরও সামনে নিয়ে যেতে পারো এবং আরও বড় সাফল্য অর্জন করো—এই কামনা করি। ফাইনালের জন্য রইল আমার শুভেচ্ছা ও দোয়া।‘
মাত্র ২০ বছর বয়সী মারুফা বাংলাদেশের নারীদের ক্রিকেটে এখন অন্যতম উজ্জ্বল তারকা। গ্রামের দারিদ্র্য পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উঠে আসার গল্প ইতিমধ্যেই তাঁকে এনে দিয়েছে অসাধারণ সম্মান ও ভালোবাসা।
জেমিমাও উষ্ণ জবাব দেন, ‘ধন্যবাদ মারুফা! তুমি নিজেই এক অনুপ্রেরণা!! যা তুমি করছো, তা শুধু বাংলাদেশেই নয়, সারা বিশ্বের অনেক মেয়েদের অনুপ্রেরণা দিয়েছে।‘
দুজনের এই আন্তরিক কথোপকথন দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে—দক্ষিণ এশিয়ার নারী ক্রিকেটারদের মধ্যে বেড়ে ওঠা পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বন্ধুত্বের এক মধুর নিদর্শন হিসেবে।
