❐ জেলা প্রতিনিধি
এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহকে ‘ফকিন্নির বাচ্চা’ আখ্যা দেওয়ার পর এবার মনোমালিন্য ভুলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসার পর তার খোঁজ-খবর নিলেন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। এছাড়া তিনি কিছু উপহারও পাঠিয়েছেন বলে জানান হাসনাত নিজে।
গতরাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের ছতরপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক বৈঠকে হাসনাত নিজেই উপস্থিত লোকজনকে এ তথ্য জানান।
হাসনাত বলেন, রুমিন ফারহানার সঙ্গে একটা মনোমালিন্য হয়। আমরা এখানে এসেছি, উনি ওনার লোক পাঠিয়ে আমাদের খোঁজ-খবর নিলেন। আমাদের জন্য কিছু উপহারও পাঠিয়েছেন। এটা আমাদের জন্য পজেটিভ বার্তা। আমাদের অবশ্যই ওয়েলকাম করা উচিত।
ভিন্নমতকে গণতন্ত্রের শক্তি এবং সহিংসতাকে গণতন্ত্রের শত্রু দাবি করে হাসনাত বলেন, আমাদের মধ্যে ভিন্নমত থাকবে। তবে কেউ আমাদের আক্রোশমূলক কথা বললে আমরা গণতান্ত্রিকভাবে তার জবাব দেব। কেউ যদি আমাদের ইতিবাচক বার্তা দেয়, আমাদের অবশ্যই গ্রহণ করা উচিত।
সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাস নিয়ে অনুষ্ঠিত শুনানিতে এনসিপি-বিএনপির হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। যার জেরে হাসনাতের সঙ্গে মনোমালিন্য হয় রুমিন ফারহানার। হাসনাত গত ২৪শে আগস্ট, রোববার রুমিন ফারহানাকে “বিএনপির আওয়ামীবিষয়ক সম্পাদক” আখ্যা দেন।
অন্যদিকে, হাসনাতের ওই বক্তব্যের জবাবে পরদিন সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কড়া প্রতিক্রিয়া জানান রুমিন ফারহানাও। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে এক পোস্টে তিনি ছদ্মবেশে হাসনাত আব্দুল্লাহর ছাত্রলীগের নেতার পদে থাকার তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরেন।
হাসনাতের ছাত্রলীগে থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ছবি ও স্ক্রিনশটসহ পোস্ট করে রুমিন লেখেন, “এটা ওই ফকিন্নির বাচ্চাটা না, যে আমাকে আওয়ামীবিষয়ক সম্পাদক বলেছে?” সেই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোড়ন তোলে। ছাত্রলীগে যুক্ত থাকা হাসনাত কীভাবে এনসিপিতে যুক্ত হতে পারলো এবং তার রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন নেটিজেনরা।
