নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর মিরপুর শেওড়াপাড়ার শামীম সরণিতে একটি বহুতল ভবনে আগুন লেগেছে। এ ঘটনার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একইসাথে জেগেছে সন্দেহ এবং নানা প্রশ্ন।
আজ ২২শে জুলাই, মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেছে।
ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষ আগুনের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, আগুন লাগা ভবনটিতে আবাসিক ফ্ল্যাট ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান উভয়ই রয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, সন্ধ্যা ৬টা ১৪ মিনিটে আগুন লাগার সংবাদ আসে। পরে ৬টার ২৯ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ১৬ মিনিটের চেষ্টায় ৬টা ৪৫মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের ডিউটি অফিসার রাফি আল ফারুক জানান, ওই আবাসিক ভবন সংলগ্ন একটি মার্কেট রয়েছে। চার তলাবিশিষ্ট ভবনটির তিন তলায় আগুন লেগেছিল। প্রাথমিকভাবে আগুনের কারণ জানা যায়নি।
অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত সম্পর্কে এখনো কোন তথ্য মেলেনি।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের কমেন্টের ঘরে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে ইউনূস সরকারের সাজানো পরিকল্পনা বলে দাবি করেছেন অসংখ্য মানুষ। উদাহরণ দিয়ে কেউ কেউ বলছেন, গোপালগঞ্জের গণহত্যা থেকে দৃষ্টি সরাতে বিমান বিধ্বস্ত এবং সেই ঘটনা আয়ত্বের বাইরে চলে যাওয়ায়, শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে আসায়, এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
মোহিত মিয়া লিখেছেন, “মাইলস্টোনের লাশ গুমের ঘটনা থেকে মানুষের দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা চলছে।”
মো. বশির লিখেছেন, “এক অভিশপ্ত ব্যক্তির হাতে বাংলাদেশের দায়িত্ব। এইরকম অভিশপ্ত ব্যক্তির হাতে দেশের দায়িত্ব থাকলে আল্লাহ ভালো জানেন সামনে আরো কি রকম দুঃখ পোহাতে হয়।”
আরিফুল ইসলাম লিটন লিখেছেন, “১০০% পরিকল্পিত ভাবে হচ্ছে এসব।”
জাওয়াদ হোসেন লিখেছেন, “মুভমেন্ট সরানোর নতুন কৌশলও হতে পারে। মাইলস্টোন থেকে মিরপুর।”
