ড. মোহাম্মদ মাহমুদ হাসান
আমরা মোটামুটি সবাই জানি, তারপরও ছোট্ট করে বলি! এই সময়কালে বিভিন্ন আন্দোলন ও প্রতিবাদে সহিংসতা হয়েছে, পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যাকারীদেরকে ইম্পিউনিটি দেওয়া হয়েছে (মানে বিচার করা যাবেনা), সরকারি মদদে মব তৈরি করে রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগ করানোর চেষ্টা করা, প্রধান বিচারপতিসহ অনেক বিচারপতি, সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভয় দেখিয়ে বা শারীরিকভাবে আক্রমণ করে জোর করে অসংখ্য শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে, সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও মাজার অনুসারীদের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে, মোরাল পুলিশিং করে নারীদের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। আদালত চত্বরে অভিযুক্তদের ওপর হামলা হয়েছে, জামিনে মুক্ত হওয়ার পরও এমপি থেকে শুরু করে অভিনেতাদের ওপর মবের আক্রমণ করেছে। সাংবাদিকদের জোর করে অপসারণ করা হয়েছে। এসবই করিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
তবে গত প্রায় ৯ মাসে যেটা সবচেয়ে বেশি হয়েছে সেটা হলো ভুয়া মামলা।
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা করা থেকে শুরু করে তাদের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা হয়েছে। অনেকেই বিদেশে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে এবং হচ্ছে। যাদের সাথে আওয়ামী লীগের রাজনীতির ন্যুনতম সম্পর্কও নাই, শুধু আওয়ামী লীগ আমলে পদ-পদবী পেয়েছে বা সুবিধা পেয়েছে এমন মানুষও সরকারের এই প্রতিহিংসার শিকার হচ্ছে গত ৯ মাস ধরে। এমনকি যারা আন্দোলনে যোগ দিয়েছিল এবং আওয়ামী লীগের পতন চেয়েছিল তারাও রক্ষা পাচ্ছে না। এই তালিকায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে আছে অনেক সাংবাদিক, অনেক আইনজীবী এবং অনেক সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব। এসব থামাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কোনরকম ভুমিকা নিতে দেখা যায়নি।
কোন দেশের সরকার যখন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক, সুশীল সমাজ ও আইনজীবীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা (যেমন: ভুয়া নামে হত্যা মামলা) করে, সেটা সাধারণত করা হয় বিরোধী কণ্ঠস্বর দমন করার উদ্দেশ্যে। এই ধরনের আচরণ একটি ফ্যাসিস্ট বা কর্তৃত্ববাদী শাসনের লক্ষণ হতে পারে।
বাংলাদেশের বর্তমান অরাজনৈতিক সরকার শুরু থেকেই রিকনসিলিয়েশনের পথে না হেঁটে প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে। স্বল্প সময়ের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে এক্সসেসিভ ক্ষমতা প্রয়োগ করে বাংলাদেশের মানুষের জীবনকে বিষিয়ে তুলেছে। আইনহীনতা ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি তৈরি করার কারণে কিছু মানুষ খুশি হয়েছে এবং হচ্ছে কারণ তারা কল্পনাও করেনি যে এতো দ্রুত ক্ষমতাবান হবে এবং দুর্নীতি করে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যেতে পারবে। আওয়ামী লীগ সরকারের মতো তারাও ধরে নিয়েছে যে তারা আজীবন ক্ষমতা ভোগ করবে এবং নিজেরাই নিজেদেরকে ক্ষমতাবান বানিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তন করে দিবে।
শুরুতে যা বলছিলাম, বাংলাদেশে এই অস্থিরতার মধ্যে সাংবাদিক, সংস্কৃতি কর্মী ও আইনজীবীদের বিরুদ্ধে ভুয়া মামলা দায়েরের প্রমাণ দেখতে পাই। বিশেষ করে, সরকারবিরোধী মত প্রকাশ বা প্রতিবাদে অংশগ্রহণের কারণে অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপারেশন ডেভিল হান্টের নাম দিয়ে ওয়ারেন্ট ছাড়া ১৫ হাজারের মতো আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থককে আটক করে সহিংসতা ও অগ্নিসংযোগের ভুয়া মামলায় জেলে ঢুকিয়েছে সরকার। অনেককে গ্রেপ্তার করে তাদের বিরুদ্ধে স্পেশাল পাওয়ার্স এক্টের অধীনে মামলা করেছে সরকার। স্পেশাল পাওয়ার্স আইনের এইসব মামলা জামিন অযোগ্য হওয়ায় এরা আদালতে জামিনের অ্যাপ্লিকেশন পর্যন্ত করতে পারবে না। আওয়ামী লীগের ৮৪ জন আইনজীবীর জামিন বাতিল করে জেলে ঢোকানো হয়েছে। চট্টগ্রামে ১০০র ওপরে হিন্দু আইনজীবীর নামে মামলা হয়েছে আলিফ নামের এক আইনজীবী হত্যার ঘটনায়।
গত ৯ মাসের আজগুবি মামলার সংস্কৃতি বজায় রেখে দুইদিন আগে এক হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে যাতে আসামী করা হয়েছে ৪০৭ জনকে। বর্তমান মামলার লিস্টে আছেন আওয়ামী লীগের নেতাদের নামের পাশাপাশি আছে বেশ কিছু সাংবাদিক, অনেক আইনজীবী, ব্যবসায়ী ও অন্যান্য পেশাজীবির মানুষ। ইরেশ জাকেরের নাম দেখে সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেছেন যে ইরেশের নামে মামলা দেওয়া ভুল হয়েছে কারণ সে আন্দোলনের পক্ষে ছিল। তার কাছে ব্যাপারটা এমন যে, আন্দোলনে প্রকাশ্যে পক্ষ নিলে মামলা করা যাবেনা, সে যত বড় ক্রিমিনালই হোক, আর আন্দোলন নিয়ে চুপ থাকলে বা বিরোধীতা করলেই তাদেরকে মামলায় ফাঁসানো ঠিক আছে। এই ৪০৭ জনের তালিকা দেখে ফারুকীর কাছে কয়জনকে হত্যায় অংশ নেওয়ার মতো যৌক্তিক মনে হয়েছে তা সেই ভাল বলতে পারবে।
আজ দেখলাম গত মার্চ মাসের এক মামলার ব্যাপারে সংবাদ হয়েছে। যাতে সুবর্ণা মোস্তফা, আজিজুল হাকিম, নুসরাত ফারিয়া, মেহের আফরোজ শাওন, আশনা হাবিব ভাবনা, অপু বিশ্বাস, নিপুণ আকতার, জায়েদ খানসহ ১৭ জন অভিনয় শিল্পীসহ মোট ২৮৬ জনকে আসামী করে হত্যা চেষ্টা মামলা হয়েছে। আমার ধারণা এই মামলা পুরনো তারিখ দিয়ে কয়েকদিন আগে করা হয়েছে। এর আগে লেখক ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষক অধ্যাপক শাহরিয়ার কবির, অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূরকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে এবং জেলখানার ঠান্ডা মেঝেতে ঘুমাতে দিয়েছে সরকারি নির্দেশে। চঞ্চল চৌধুরী শেখ হাসিনার সামনে গান গেয়ে এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছে। নুসরাত ফারিয়াসহ কয়েকজনকে বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকে অভিনয় করার জন্য হত্যাচেষ্টা মামলা খেতে হলেও সংস্কৃতি উপদেষ্টার দয়া তার স্ত্রী তিশাসহ কয়েকজনকে সেসব থেকে রেহাই দিয়েছে।
সরকার জানে এসব মামলার মেরিট নাই। এগুলো করাই হয়েছে বিরুদ্ধ মতকে দমানোর জন্য। বিএনপির যে নেতা তার ভাই হত্যার জন্য মামলা করেছে তার পক্ষে এতো মানুষের লিস্ট করা কোনভাবেই সম্ভব না। আসামীদের নাম দেখে (শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, আইনজীবী) আমার কাছে মনে হয়েছে এরা সবাই ঠিক মামলার বিবাদী না, এটা একটা “লিস্ট” যেরকম লিস্ট আলবদর বাহিনী করেছিল ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময়। ৪০৭ জন এবং আজকের ২৮৬ জনের লিস্ট সরকারিভাবে তৈরী হয়েছে বলে আমার বদ্ধমূল ধারণা এবং এই তালিকা তৈরিতে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ও সংস্কৃতি উপদেষ্টা ফারুকীর প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ আছে।
চ্যাট জিপিটি আমাকে জানালো যে সরকার যখন বিরোধী কণ্ঠস্বর দমন করতে ভুয়া মামলা, গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের পথ বেছে নেয়, তখন তা ফ্যাসিবাদি শাসনের লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। চ্যাট জিপিটির মতে ফ্যাসিবাদি শাসনের কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য এবং সেই আলোকে বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতিতে তার এপ্লিকেশন আলোচনা করছি:
মতপ্রকাশের স্বাধীনতার দমন
সাংবাদিক, লেখক বা শিল্পীদের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা। সংস্কৃতি উপদেষ্টাকে তার পছন্দমত প্রশ্ন না করার কারণে তিন সাংবাদিককে পদত্যাগে বাধ্য করিয়েছে সে। দীপ্ত টিভির সম্প্রচার বন্ধ করতে বাধ্য করা হয়েছে। মিডিয়ার ওপর জিয়াফত করাসহ এমন চাপ প্রয়োগ করেছে যে, পত্রিকা ও টিভির সম্পাদকরা বা মালিকরা সেল্ফ সেন্সরশিপ করতে বাধ্য হচ্ছে। মেহের আফরোজ শাওন ও সোহানা সাবাকে ধরে নিয়ে এমন শাসিয়েছে যে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়ার পর কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছেন। এরকম আওয়ামী লীগ আমলে হয়েছে, এখন অনেক গুণ বেশি হচ্ছে বলে আমার সাংবাদিক বন্ধু বলেছে।
আইনের অপব্যবহার
বিরোধীদের ভয় দেখাতে বা দমন করতে বিচারব্যবস্থার রাজনৈতিক ব্যবহার। বর্তমানে মামলা ও হামলার যে ট্রেইল, যাদের নামে ভুয়া মামলা করা হচ্ছে, তা শুধুমাত্র বিরোধীপক্ষকে দমন করার উদ্দেশ্যেই করা হচ্ছে বলে আমি মনে করি। আজগুবি, মিথ্যা ও ভুয়া মামলা দায়ের করে হেনস্থা করলে দণ্ডবিধি অনুসারে দণ্ডের বিধান থাকলেও সেসব বন্ধ হচ্ছেনা, আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের দয়ায়। তিনি “ভুয়া ও মিথ্যা মামলা করলে শাস্তি পেতে হবে” না বলে বলে দিয়েছিলেন এরকম মামলা ঠেকানো সম্ভব না।
রাষ্ট্রের সমালোচকদের ‘শত্রু’ হিসেবে চিহ্নিত করা
যারা সরকারের নীতির বিরোধিতা করে, তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করার চেষ্টা। নবনীতা চৌধুরী, মাসুদা ভাট্টি ইউটিউব ও ফেসবুকে সরকারের সমালোচনা করছেন বেশ কিছুদিন ধরে। এখন তাদের নামে হত্যা মামলা দিয়ে তাদের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করছে সরকার। যাদের সাথে আগের সরকারের সংশ্লিষ্টতা ছিল, তাদেরকে “শত্রু” হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং হচ্ছে। আজগুবি মামলায় আসামির তালিকায় নাম আছে মানেই তারা সরকারের শত্রু।
প্রচারযন্ত্র ব্যবহার করে মিথ্যা ছড়ানো
মিথ্যা মামলা, গুজব, বা তথ্য বিকৃতি ব্যবহার করে জনমত নিয়ন্ত্রণ। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং নিয়মিত এই কাজ করে যাচ্ছে। প্রেস উইংকে মিথ্যা তথ্য ও গুজব ছড়ানোতে সাহায্য করছে কিংস পার্টি এনসিপি। প্রেস উইং মিথ্যা ও ভুল তথ্য দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ও সরকারের কাজকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে প্রচার করছে দেশের জনসাধারণকে সরকারের প্রতি সমর্থন আদায়ের জন্য। সরকারি টাকায় “ড. ইউনূসকে আরো ৫ বছর ক্ষমতায় দেখতে চাই” প্রচার করছে এনসিপি ও নতুন গজিয়ে ওঠা রাজনৈতিক ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে।
কয়েকদিন আগে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যেমন তাদের লম্বা সময় ক্ষমতায় থাকার ইচ্ছার কথা বলেছেন, পরশু প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস আল জাজিরায় বলেছেন জনগণ চায় তারা যেন তাড়াতাড়ি ক্ষমতা থেকে না চলে যায়। নির্বাচন দিবে বলে আশা দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে নিজেদের কব্জায় নিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন যাতে তারা দীর্ঘদিন রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকতে পারে।
অনেকদিন ধরেই বলে আসছি ইসলামিক ফান্ডামেন্টালিস্টদের ইচ্ছার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে বাংলাদেশে বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে অনেকেই ফ্যাসিবাদি শাসনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। রাষ্ট্রের চরিত্র কলুষিত করে বর্তমানে তারা ফ্যাসিবাদের চুড়ান্ত অবস্থায় নিয়ে এসেছে।
শেষ কথা
বাংলাদেশের বর্তমান সরকার অস্থায়ী সরকার। তাদের দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয়েছিল সরকারে যেন তারা কিছু সংস্কার করে, জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার করে এবং যথাসম্ভব দ্রুত নির্বাচন করে। কিন্তু তাদের কর্মকান্ড কর্তৃত্ববাদী বা ফ্যাসিস্ট আইডিওলোজিকে ধারণ করছে।
ম্যান্ডেট ছাড়া এই সরকার আন্তর্জাতিক চুক্তি করছে একের পর এক। অন্য দেশের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাচ্ছে প্রায় সময়ই। রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে কাজ করার কোন এখতিয়ার এই সরকারকে দেওয়া হয়নি। রোহিঙ্গা সমস্যাকে কাজে লাগিয়ে ইলন মাস্কের স্টারলিংক নিয়ে আসছে যাতে আমেরিকান আর্মি রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপ ছাড়া নির্বিঘ্নে তাদের কাজ চালিয়ে যেতে পারে। এই সরকার আরাকান আর্মি বা রাখাইন স্টেটের বিষয়ে বা ভারতের সেভেন সিস্টার্সের ব্যাপারে কোনরকম সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার রাখেনা।
সরকারের উচিৎ আরাকান আর্মিকে মানবিক করিডোরের ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকা। মানবিক করিডোরের নামে সন্ত্রাসী ও অস্ত্রের অবাধ যাতায়াত চলছে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায়। অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সশস্ত্র হস্তক্ষেপের মত পরিস্থিতি দেখতে পারে। এই অনির্বাচিত সরকার জানে তারা কারো জনপ্রতিনিধি নয়, ফলে তারা দেশ বেচে দিলেও তাদের দায়ী করা সম্ভব হবে না। এছাড়া অস্থায়ী এই সরকারের বর্তমান কাজকর্ম পরবর্তী সরকার ও আর্মির জন্য কাজ করা চ্যালেঞ্জিং করে তুলবে।
যে ইউনূস তার জীবনের ৮৬ বছরে বাংলাদেশের মঙ্গলের জন্য কোন কাজটা করেছেন বলতে পারেন না, তিনি এখন কোন উদ্দেশ্যে পূর্ব ও মধ্য এশিয়া ও ইউরোপ ঘুরে বেড়াচ্ছেন একটু মাথা খাটালেই বুঝে যাওয়ার কথা। “দেশ গোল্লায় যায় যাক, হাসিনাকে তো বিদায় করেছি” অনেক বলেছেন, হাসিনা সহসাই আসছেন না। তাই হাসিনার ভূত মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দিয়ে দেশের স্বার্থবিরোধী কাজের সমালোচনা করুন।
লেখক পরিচিতি: সহযোগী অধ্যাপক, আইন বিভাগ, কার্লটন ইউনিভার্সিটি
অটোয়া, কানাডা
