মঙ্গল শোভাযাত্রায় ফিলিস্তিনের জন্য মঙ্গল কামনায় ২০০ শিল্পীর গানের আয়োজন: ফারুকী

মঙ্গল শোভাযাত্রায় ফিলিস্তিনের জন্য মঙ্গল কামনায় ২০০ শিল্পীর গানের আয়োজন: ফারুকী
শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক 

পহেলা বৈশাখ এবং চৈত্র সংক্রান্তির মঙ্গল শোভাযাত্রায় এবার ভিন্ন এক বার্তা নিয়ে হাজির হবেন দুই শতাধিক সংগীতশিল্পী। তারা শুধু সংগীত পরিবেশনই করবেন না, বরং ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে তুলে ধরবেন শান্তির প্রতীক হিসেবে।

বুধবার (৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা সেমিনার কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে বাংলা ব্যান্ড মিউজিসিয়ানস ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।

ফারুকী জানান, এ বছর মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নেবে ২০০-এর বেশি সংগীতশিল্পী, যারা ফিলিস্তিনের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করে গান পরিবেশন করবেন। ঢাকার আশেপাশে যারা গিটার বাজান, তাদের র‍্যালিতে অংশ নিতে এবং ফিলিস্তিনের পতাকা সঙ্গে রাখতে অনুরোধ করেন তিনি।

তিনি বলেন, “এই বার্তাটি গুরুত্বপূর্ণ। ফিলিস্তিনের জন্য গান ও পতাকা নিয়ে আমাদের অংশগ্রহণ এবারের শোভাযাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। রক মিউজিশিয়ানদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই, কারণ এই আয়োজন তাদের ছাড়া সম্ভব হতো না।”

ফারুকী আরও বলেন, “শিল্পকলার অনুষ্ঠানগুলো কেবল সংখ্যা দিয়ে বিচার করা যাবে না, এগুলো সৃষ্টিশীলতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার ফল। এবারের মতো চাঁদরাতে আগে কখনও প্রোগ্রাম হয়নি। আমরা সেটা করেছি, ভবিষ্যতে দেশজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।”

তিনি জানান, এবার দুই দিনব্যাপী বৈশাখ ও সংক্রান্তির আয়োজনে দেশের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা অতীতে হয়নি। উৎসব সবার, তাই অংশগ্রহণও সবার হওয়া উচিত।

রোহিঙ্গাদের প্রসঙ্গ তুলে ধরে ফারুকী বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা তার ঈদের বার্তায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা মেহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এতে বোঝা যায়, আমাদের সংস্কৃতি কতটা অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সহানুভূতিশীল।”

ফিলিস্তিনে চলমান সহিংসতার প্রেক্ষাপটে ফারুকী বলেন, “যদি আমরা কেবল নিজেদের আনন্দ নিয়ে ব্যস্ত থাকি, তাহলে সেটি আত্মকেন্দ্রিকতা হবে। তাই নববর্ষের আয়োজনে ফিলিস্তিনের ওপর হওয়া অত্যাচারের প্রতিবাদ জানানো উচিত।”

সংবাদ সম্মেলনে ওয়ারফেজ ব্যান্ডের সদস্য শেখ মনিরুল আলম টিপু বলেন, “সাধারণত আমরা এ ধরনের উৎসবে অংশ নিই না, তবে এবার সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রণে এসেছি। বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা বিরাজ করছে, আমরা চাই শান্তিপূর্ণ পৃথিবী।

Visited 72 times, 1 visit(s) today