রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে উত্তেজনাপূণ ম্যাচে শেষ বলে হেরে যাওয়ার পর সংঘর্ষে জড়িয়েছিলেন ফরচুন বরিশাল অধিনায়ক তামিম ইকবাল। তিনি রংপুরের ইংলিশ ওপেনার আলেক্স হেলসের দিকে তেড়েও যান। পরে হেলস একটি বেসরকারি টিভিকে বলেছেন, তাকে ব্যক্তি আক্রমণ করেছেন তামিম।
বৃহস্পতিবার সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে বিপিএলে শেষ ওভারে ম্যাচ জিততে ২৬ রান দরকার ছিলো রংপুরের। কাইল মেয়ার্সের করা ওই ওভারে নুরুল হাসান সোহান ৩ চার, ৩ ছয়ে নিয়ে নেন ৩০ রান, অবিশ্বাস্যভাবে ম্যাচ জিতে নেয় রংপুর।
হেরে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই হতাশ ছিলেন তামিম। শেষ ওভারে তিনি ফিল্ডিং না করে ছিলেন বাইরে। দলের বাজে অবস্থায় সেখান থেকেই উত্তেজিত হয়ে যান। খেলা শেষে পরে পরে মাঠে ঢুকেই হেলসের সঙ্গে লেগে যায় তার।
টিভি পর্দায় দেখা যায় খেলার পর তেড়ে যাচ্ছেন তামিম, তাকে আটকানোর চেষ্টা করেন রংপুর অধিনায়ক সোহান ও রংপুরের টিম ডিরেক্টর শাহনিয়ান তানিম। হেলসকে সরিয়ে নেন রংপুরের বাকিরা।
পরে একটি টেলিভিশন চ্যানেলে হেলস অভিযোগ করে বলেন, ‘এটা খুবই লজ্জাজনক। আমি জানি না কেনো সে এটাকে ব্যক্তিগত ভাবে নিলো। সে আমাকেও ব্যাক্তিগত ভাবে আক্রমণ করেছে। এমন কিছু কথা বলেছে যা আমাকে কষ্ট দিয়েছে। তাকে বলার কিছু নেই। এটা লজ্জাজনক। এসব নিয়ে না ভেবে সামনে এগুতে চাই।’
সংবাদ সম্মেলনেও উঠে বিষয়টি। বরিশালের ব্যাটিং কোচ ও তামিমের ব ভাই নাফিস ইকবালবলেন, ‘আমি নিশ্চিত নই, যেহেতু এটা নিয়ে আলাপ হয়নি। উত্তেজিত হয়েছে (তামিম), এটা দেখেছি।’
‘ম্যাচ হারার পর, বিশেষ করে এই ধরনের ম্যাচে, অনেক আবেগ চলে আসে। আশা করি, সিরিয়াস কোনো কিছু নয়। নিশ্চয়ই কিছু একটা বলা হয়েছিল (অপর পক্ষ থেকে), যেটির প্রতিক্রিয়া ছিল (তামিমের উত্তেজিত হওয়া)। তবে আমার মনে হয়, তেমন সিরিয়াস কিছু নয়।’
রংপুর অধিনায়ক সোহান অবশ্য ঘটনাটা এড়িয়ে গিয়েছেন, ‘ঘটনাটা আমি খুব কাছ থেকে দেখিনি। আমি দেখেছি শেষ দিকে, মানে যখন ফিরে আসছি। আমি ড্রেসিংরুমে যাওয়ার পর বুঝতে পারব, কী হয়েছে। তবে কিছু একটা হয়েছে, আমিও এটা দেখেছি।’
