-ড. মামুনুর রশীদ
(অর্থনীতিবিদ ও সহযোগী অধ্যাপক, ইংল্যান্ড)
অনেকগুলো খবরে দেখেছেন প্রবাসী শ্রমিকের সংখ্যা এবং আয় প্রায় ৩৩% কমে যাওয়া, রপ্তানি আয় কমে যাওয়া এবং আমদানি খরচ বেড়ে যাওয়ার পরেও বিএনপি সরকার ইউনূসের মতো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়িয়েই চলেছে। কোথাও দেখলাম এটা প্রায় ৩২ বিলিয়ন কিংবা ৩৭ বিলিয়ন বলা হচ্ছে।
যারা অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা খবর রাখেন তাদের সন্দেহ হবে এটা স্বাভাবিক। আসুন একটু বিস্তারিত দেখি।
আমার মতে যে সংখ্যাটা বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চিতি বা রিজার্ভ হিসেবে দেখানো হচ্ছে সেটা এসেছে বিভিন্ন বৈদেশিক ঋণ থেকে।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে ২৫-২৬ সালের জুনের শেষে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমান দাঁড়িয়েছে ১১৫ বিলিয়ন ডলার। আগের প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) তুলনায় তা বেড়েছে ৩.৬৫%। কিন্তু ঘাপলা অন্য জায়গায়।
জুনের শেষে সরকারের বৈদেশিক ঋণ ছিলো ৯৫.১০ বিলিয়ন। আগের প্রান্তিকের শেষে ছিলো ৯০.৯১ বিলিয়ন ডলার। তার মানে মাত্র তিন মাসে সরকারের বৈদেশিক ঋণ বেড়েছে ৪.১৯ বিলিয়ন ডলার।
এ হচ্ছে আপনাদের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চিতির মূল মন্ত্র!
আচ্ছা, আরও ভালো একটা জিনিস একটু দেখুন। ঠিক এই একই সময়ে বেসরকারি খাতে বৈদেশিক ঋণ কমে গেছে ০.১৪ বিলিয়ন (১৪ কোটি) ডলার। তার মানে হচ্ছে ফ্লায়িংম্যান আশিকের এফডিআই (বৈদেশিক বিনিয়োগ) নিয়ে বাকি সূত্রও বুঝে গেছে বাংলাদেশ থেকে ভাগার সময় এসেছে।
ভালো … তাই না!!
Visited 1 times, 3 visit(s) today
