❐ বিশেষ প্রতিবেদক
বাংলাদেশে হাম আক্রান্ত হয়ে সাড়ে ৫শ-এর বেশি শিশুর মৃত্যু এবং সারাদেশে শিশু ধর্ষণের বর্বর ও মর্মান্তিক ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা চলছে।
অথচ অন্তর্বর্তী সরকারের সদ্য বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূস দেশের এই হৃদয়বিদারক মানবিক সংকট নিয়ে কোনো শোক বা সহানুভূতি প্রকাশ করেননি। বিপরীতে চীনের একটি খনি দুর্ঘটনায় ৭০ জন শ্রমিকের মৃত্যুতে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর কাছে শোকবার্তা পাঠিয়ে তিনি দেশ-বিদেশে অবস্থানরত বাঙালি কমিউনিটি তে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে, হাম আক্রান্ত হয়ে সাড়ে ৫শ-এর বেশি শিশু মারা গেছে। অনেক পরিবার তাদের শিশু সন্তান হারিয়ে শোকে মুহ্যমান। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় শিশু ধর্ষণ ও গণধর্ষণের ঘটনা বেড়েছে বলে মানবাধিকার সংগঠন ও গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এসব ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফুঁসে উঠেছে।
নেটিজেনরা প্রশ্ন তুলেছেন, দেশের শিশুরা যখন এমন মর্মান্তিক পরিস্থিতির শিকার হচ্ছে, তখন শান্তির পতাকাবাহী সদ্য বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা নীরব কেন?
যে সকল বাংলাদেশী তিন মাস আগেও ড. ইউনূসকে বাংলাদেশের ‘অভিভাবক’ ও ‘সংস্কারক’ হিসেবে দেখতেন, তারাও এখন তাঁর এই নীরবতার তীব্র সমালোচনা করছেন।
ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, বন্যা, ঝড়, সাইক্লোনের মতো প্রাকৃতিক দূর্যোগ বা বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের সংকটে এই নোবেল বিজয়ী আন্তর্জাতিক ব্যাক্তিত্বকে কখনই শোক প্রকাশ করে, সহানুভূতি জানিয়ে বিপদে, সংকটে, দূর্যোগে বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাড়াতে দেখা যায়নি।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবারের মতো প্রশ্নবিদ্ধ আর সমালোচিত ইউনূস কখনোই হননি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন হ্যাশট্যাগে সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।

