শতভাগ বিদ্যুতায়নের দেশে জ্বালানি সংকট তীব্রতর: শপিংমলে আলোকসজ্জা বন্ধের পরিকল্পনা

শতভাগ বিদ্যুতায়নের দেশে জ্বালানি সংকট তীব্রতর: শপিংমলে আলোকসজ্জা বন্ধের পরিকল্পনা
শেয়ার করুন

❐ বিশেষ প্রতিবেদক


শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছিল। বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৫ হাজার মেগাওয়াট ছড়িয়ে যায়। কিন্তু ২০২৪-এর জঙ্গি হামলার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটানোর পর এই গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় ক্রমশ অন্ধকারে নিমজ্জিত হতে থাকে। বর্তমানে জ্বালানি সংকট এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ক্রমশ অবনতির দিকে ধাবমান।

বিএনপি সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ইতিমধ্যে তার এক বক্তব্যে বলেন, ঋণে ডুবে থাকার চেয়ে বরং লোডশেডিংয়ে কষ্ট পাওয়া ভালো। তার এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে তীব্র সমালোচনা দেখা দেয়।

নেটিজেনরা বলেন- “আমরাতো সরকারের কাছ থেকে বিদ্যুৎ ফ্রিতে নিই না, বাকিতেও নয়, প্রতি মাসে বিল দিই, প্রিপেইড গ্রাহকরা অগ্রিম টাকা দেন। তবুও ঋণের প্রশ্ন আসছে কেন?”

ইরানের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাত ঘিরে উত্তেজনার প্রভাব পড়েছে সারা বিশ্বের জালানির বাজারে। এমন অবস্থায় জ্বালানি সংকট থেকে উত্তরণের কোনো সমাধান আপাতত দেখছে না তারেক রহমানের সরকার।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু

ফলে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশের সব শপিংমলে আলোকসজ্জা বন্ধে নির্দেশনা দেওয়ার মাধ্যমে সমাধান খুঁজছে সরকার।

আজ ৪ঠা মার্চ, বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

মন্ত্রী বলেন, শপিংমলে আলোকসজ্জা কারা উচিত না এ সংকটের সময়ে। যুদ্ধ নিয়ে শুধু বাংলাদেশ নয় সারা বিশ্ব সমস্যায় রয়েছে। স্পট মার্কেট থেকে জ্বালানি কেনার চেষ্টা করছি। শপিংমলে আলোকসজ্জা বন্ধে নির্দেশনা আসতে পারে।

তিনি বলেন, ডিজেল পাচার ঠেকাতে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিজিবিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জ্বালানি সংকট মার্চ পযর্ন্ত চলতে পারে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে যে জ্বালানি মজুত রয়েছে তা দিয়ে সাশ্রয়ীভাবে চলতে হবে। এ জন্য সরকারের পাশাপাশি জনগণকেও সহযোগিতা করতে হবে।

Visited 12 times, 1 visit(s) today