খালেদা জিয়াকে প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক বলে মন্তব্য মঈন খানের

খালেদা জিয়াকে প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক বলে মন্তব্য মঈন খানের
শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক এবং গণতন্ত্রের প্রকৃত চর্চাকারী মহান রাষ্ট্রনায়ক বলে দাবি করলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান।

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেত্রী নন, তিনি ছিলেন একজন প্রকৃত রাষ্ট্রনায়ক। তার চিন্তা, কাজ, দক্ষতা এবং সর্বোপরি মানুষের প্রতি ভালোবাসাই তাকে এই উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।’

আজ ১৭ই জানুয়ারি, শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনায় অনুষ্ঠিত শোকসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শোকসভার আয়োজন করে আইনজীবী অ্যাসোসিয়েশন ও বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশ।

মঈন খান বলেন, খালেদা জিয়ার ব্যক্তিত্ব, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, উদার মানসিকতা এবং দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসার কথা বলতে গেলে দিনের পর দিন কথা বলেও শেষ করা যাবে না। তার কথা বলতে গেলে অনেক সময় আমরা বাকরুদ্ধ হয়ে যাই। তার শূন্যতা ও অবদান স্মরণ করলে কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে আসে। আজ আমরা কীভাবে আমাদের অনুভূতি প্রকাশ করব, সেটাই যেন জানি না।

তিনি বলেন, ৯১ সালের নির্বাচন ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। স্বৈরশাসকের পতনের পর খালেদা জিয়া আপসহীন নেত্রী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ৮৬ ও ৮৮ সালের নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেকে সমালোচনা করলেও পরে প্রমাণিত হয়, তার সিদ্ধান্ত ছিল সঠিক। এরই ধারাবাহিকতায় ৯১ সালের নির্বাচনে জনগণ তাকে নির্বাচিত করে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, আমি তিনবার মন্ত্রী ছিলাম। একটি দিনও তিনি আমাকে কোনো নির্দিষ্ট কাজের নির্দেশ দেননি। সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। এটাই ছিল তার গণতন্ত্রচর্চার প্রকৃত উদাহরণ।

বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের দাবি, ২০০১ থেকে ২০০৬ মেয়াদে বিএনপি সরকারই প্রথম দেশে ডিজিটাল টেলিফোন এক্সচেঞ্জ চালু করে। তথ্যপ্রযুক্তির যে অগ্রযাত্রা আজ দেশে দৃশ্যমান, তার ভিত্তি গড়ে ওঠে সেই সময়। তখন তারেক রহমান তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করেন, যা ছিল সময়ের তুলনায় অনেক অগ্রসর চিন্তা।

তিনি আরও বলেন, দলের প্রভাবশালী নেতা বা মন্ত্রী হলেও অনিয়মের অভিযোগে ছাড় দিতেন না খালেদা জিয়া। দলের সংসদ সদস্য কিংবা মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে তিনি পিছপা হননি, যা এক বিরল দৃষ্টান্ত। খালেদা জিয়া প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করতেন না।’

Visited 9 times, 1 visit(s) today