সেই পুরনো কৌশল, সেটা আরও নগ্নভাবে করে দেখালো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। হোম কন্ডিশনের সুবিধা নিয়ে জিততে বানানো এমন এক উইকেট যা আদর্শ মানের থেকে অনেক নিচে।
মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামের উইকেট এমনিতেই কালো মাটির৷ সেটা আবার আরও নরম রাখা হলো। বল পড়ে পিচে মাটির খাবলে উঠে গেল অনেকবার। যেখানে ভীষণ কষ্টে ২০৭ রানের পুঁজি নিয়েও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশ জিতে গেল ৭৪ রানের বড় ব্যবধানে।
তবে এই জয়ের পর প্রশ্ন উঠছে এমন আন্ডার প্রিয়েয়ার্ড উইকেটে খেলে লাভটা কি হচ্ছে? হয়ত পরিসংখ্যানের খাতায় জয় একটা বাড়ছে। কিন্তু বিশ্ব মঞ্চে খেলার প্রস্তুতির ঘাটতি হচ্ছে বড়।
মিরপুরের উইকেটে কোন বল এমন টার্ন করছিল যেন সবার জন্যই ছিলো ধাঁধার মতন। কখনো নিচু হচ্ছিল, আবার কখনো লাফাচ্ছিলো।
ওয়ানডেতে বাংলাদেশ পুরুষ দলের পারফরম্যান্স ভীষণ খারাপ। গত ১২ ম্যাচে ১১টা হার নিয়ে এই সিরিজ শুরু করেছিলো তারা। কদিন আগেই স্পোর্টিং উইকেটে আফগানিস্তানের কাছে ধবলধোলাই হন মেহেদী হাসান মিরাজরা।
সেই ক্ষতে প্রলেপ দিতে স্পিনে দুর্বল ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে এমন এক উইকেটে সিরিজ খেলা হচ্ছে যেটা ব্যাটারদের জন্য রীতিমতো বিভীষিকা।
মূলত বিসিবি চাইছে ফাঁকিঝুকি করে জয়। বিতর্কিত নির্বাচনকে ঢাকতে যা খুব দরকার তাদের। বিশ্ব মঞ্চে গিয়ে পরে কী হবে সেটা তাদের ভাবনায় আর নেই।
