লাইফস্টাইল
গরমের দিনে অনেকেই ঘাম, ঘামের গন্ধ ও ঘামাচির সমস্যায় ভুগে থাকেন। তবে কিছু ঘরোয়া নিয়ম মেনে চললে সহজেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
কেন হয় ঘামাচি?
আমাদের শরীরের লোমকূপের মাধ্যমে ঘাম বের হয়ে শরীরকে ঠান্ডা রাখে এবং দূষিত পদার্থ দূর করে। কিন্তু যখন ঘাম ঠিকমতো বের হতে পারে না, তখন লোমকূপের ভেতরে জমে গিয়ে ঘামাচি সৃষ্টি হয়।
অনেকে অতিরিক্ত পাউডার ব্যবহার করে ঘামের সমস্যা কমানোর চেষ্টা করেন। এতে সাময়িকভাবে ঘাম কমলেও দীর্ঘমেয়াদে ত্বকের সমস্যা বাড়ে। কারণ পাউডার ঘামের গ্রন্থিগুলো বন্ধ করে দেয়, ফলে ঘাম আটকে গিয়ে লোমকূপের ভেতর জমে ঘামাচিতে রূপ নেয়।
ঘামাচি ও ঘামের গন্ধ থেকে মুক্তির উপায়
নিয়মিত গোসল করা:
যত রাতেই বাড়ি ফিরুন না কেন, নিয়মিত গোসল করা জরুরি। শরীরে ঘাম জমতে দিলে ঘামাচি হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
ঘাম মুছে রাখা:
বাইরে থাকলে ঘাম শরীরে বসতে দেওয়া উচিত নয়। খুব বেশি ঘাম হলে ভেজা তোয়ালে বা গামছা দিয়ে বারবার মুখ, গলা, হাত-পা মুছে নেওয়া ভালো। তাই সঙ্গে একটি সুতির তোয়ালে বা কাপড় রাখা জরুরি।
রোদ এড়িয়ে চলা:
বেশিক্ষণ রোদে ঘোরাঘুরি করলে ত্বক অতিরিক্ত ঘামতে শুরু করে, ফলে ঘামাচির সমস্যা বাড়তে পারে। তাই রোদ এড়িয়ে চলা ভালো।
সুতির পোশাক পরা:
চিকিৎসকরা গরমের দিনে হালকা ও ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরার পরামর্শ দেন। কারণ সুতির কাপড় সহজেই বাতাস চলাচল করতে দেয় এবং ঘাম শোষণ করে শরীরকে ঠান্ডা রাখে।
সুগন্ধি ও পাউডার পরিহার করা:
অনেকে গরমে সুগন্ধি বা ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করেন, যা ঘর্মগ্রন্থির মুখ বন্ধ করে দেয় এবং ঘামাচির সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। তাই অতিরিক্ত প্রসাধনী ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত।
এই সহজ নিয়মগুলো মেনে চললে গরমেও ঘাম ও ঘামাচির সমস্যাকে দূরে রাখা সম্ভব হবে।
