বল হাতে ঝলক দেখালেন তিন স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী, কুলদীপ যাদব আর রবীন্দ্র জাদেজা। রান তাড়ায় জ্বলে উঠে অধিনায়ক রোহিত শর্মার ব্যাট। তার আগ্রাসী ফিফটির পর অবদান রাখেন শ্রেয়াস আইয়ার, লোকেশ রাহুলরা। নিউজিল্যান্ডকে অনায়াসে হারিয়ে অপরাজিত থেকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শিরোপা জিতে নিল ভারত।
রোববার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। আগে ব্যাটিং বেছে ৭ উইকেটে ২৫১ রান করে নিউজিল্যান্ড। ৬ বল আগে ওই রান পেরিয়ে বিজয় উৎসবে মাতে নীল জার্সিধারীরা।
ফাইনালে ভারতের নায়ক রোহিত। ভারতীয় কাপ্তান ৮৩ বলে খেলেন ৭৬ রানের ইনিংস। শ্রেয়াসের ব্যাট থেকে আসে ৬২ বলে ৪৮ রান। রাহুল ৩৩ বলে ৩৪ রানে অপরাজিত থেকে শেষ করেন ম্যাচ।
বোলিংয়ে জেতার ভিত গড়ে দেন বরুণ-কুলদীপ-জাদেজা। ৪৫ রানে ২ উইকেট নেন বরুণ, ৪০ রানে ২ শিকার ধরেন কুলদীপ। জাদেজা তার ১০ ওভারে দেন স্রেফ ৩০ রান, পান এক উইকেট। ম্যাচ জেতানো বাউন্ডারিও আসে তার ব্যাট থেকে।
রান তাড়ায় দারুণ শুরু পায় ভারত। শুবমান গিলকে নিয়ে শতরানের উদ্বোধনী জুটি আনেন রোহিত। তাতে ঝড় তুলেন তিনি। আগের ম্যাচগুলোতে ফিফটি না পাওয়া রোহিত ফাইনালকে বেছে নেন জ্বলে উঠের মঞ্চ হিসেবে। ১৯তম ওভারে ৩১ করা গিলের আউটে ভাঙে ১০৫ রানের জুটি। দলের সেরা তারকা বিরাট কোহলি এরপর দ্রুত আউট হলে চাপ তৈরি। সেই চাপ বাড়ে রোহিতের ৭৬ করে বিদায়ে।
তবে অক্ষর প্যাটেল-শ্রেয়াস আইয়ার জুটি গড়ে সামাল দেন পরিস্থিতি, খেলা হয়ে যায় সহজ। ৪৮ রানে দ্রুত রান আনার চেষ্টায় শ্রেয়াসের বিদায়ের সময় ভারতের দরকার ছিল ৬৯ রান। পরে হার্দিক পান্ডিয়া আউট হয়েছেন দলের জয়ের কাছে এসে। তখন ম্যাচের ফল নিয়ে ছিলো না সংশয়।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নামা নিউজিল্যান্ড রাচিন রবীন্দ্রের ঝড়ে ভালো শুরু পায়। সেটার লাগাম টানেন বরুণ-কুলদীপ। দুই স্পিনার মিলে কিউইদের চেপে ধরেন। মাঝের ওভারে জাদেজা রানের চাকা দেন থামিয়ে। ড্যারেল মিচেলের ৬৩ রানের পর মিচেল ব্রেসওয়েল ৪০ বলে ৫৩ করলে আড়াইশ ছাড়ায় নিউজিল্যান্ড। তবে এই রান নিয়ে লড়াই তীব্র করতে পারেনি তারা।
৭৬ রানের ইনিংস খেলায় সেরা হয়েছেন রোহিত।
