আন্তর্জাতিক
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সামরিক আইন জারিকে কেন্দ্র করে দেশদ্রোহে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে অভিশংসিত প্রেসিডেন্টকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তদন্তকারীদের বরাতে ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
বুধবার ১৫ই জানুয়ারি তাকে গ্রেপ্তার করতে বাড়ির সামনে ৩ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য অবস্থান নেন।
সহিংসতা এড়াতে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহায়তা করেছেন বলে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানান প্রেসিডেন্ট ইউন।
বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, গ্রেপ্তারকারীরা ফায়ার সার্ভিসের সরঞ্জাম দিয়ে নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেছিল। তখনই আমি সিদ্ধান্ত নেই, অনাকাঙ্ক্ষিত রক্তপাত এড়াতে কর্তৃপক্ষের অবৈধ তদন্তে সহায়তা করব।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পাহাড়ের ধারে নিজের বাসভবনে অবস্থান করছিলেন ইউন। উচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদ্যুতায়িত কাঁটাতার ঘেরা বাসভবনে ছিল তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীর ছোট একটি দল।
বুধবার ভোরে ৩ হাজারের বেশি পুলিশ ইউনকে গ্রেপ্তার করতে তার বাড়ির সামনে উপস্থিত হন। গ্রেপ্তারের পর প্রেসিডেন্সিয়াল গাড়ি বহর নিয়ে দুর্নীতি দমন সংস্থার কার্যালয়ে উপস্থিত হন ইউন।
গত ৩রা ডিসেম্বর দেশে সামরিক শাসন জারি করে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতির মাঠ উত্তপ্ত করে ফেলেন ইউন সুক ইওল। আদালতের বিরোধিতার মুখে ৬ ঘণ্টা পর সামরিক আইন বাতিলে বাধ্য হলেও দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গন এখনও শান্ত হয়নি।
গত ১৪ই ডিসেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার সংসদ তাকে অভিশংসিত করে। বর্তমানে তার অভিশংসন মামলা সাংবিধানিক আদালতে রয়েছে। সেখান থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে রায় দেওয়া হবে ইউনের স্থায়ী অপসারণ বা পদে পুনর্বহালের বিষয়ে।
