যুক্তরাষ্ট্র-ভারত পারমাণবিক চুক্তি: সিভিল নিউক্লিয়ার সহযোগিতায় বড় অগ্রগতির ইঙ্গিত

যুক্তরাষ্ট্র-ভারত পারমাণবিক চুক্তি: সিভিল নিউক্লিয়ার সহযোগিতায় বড় অগ্রগতির ইঙ্গিত
শেয়ার করুন

সিভিল নিউক্লিয়ার সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে যাচ্ছে। মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান জানিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিনের নিয়ন্ত্রক বাধাগুলো সরানোর চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে, যা এতদিন আমেরিকার পারমাণবিক কোম্পানি এবং ভারতের শীর্ষস্থানীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতায় অন্তরায় ছিল।

এটি দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা এক পারমাণবিক অংশীদারিত্বে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই সহযোগিতার সূচনা হয়েছিল ২০০৫ সালে, তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ. বুশের নেতৃত্বে। তবে সেই থেকে বিভিন্ন সমস্যার কারণে প্রকল্পটি স্থবির ছিল।

পারমাণবিক দায়বদ্ধতা আইন ছিল প্রধান বাধা
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভারতের পারমাণবিক দায়বদ্ধতা আইন এই সহযোগিতার প্রধান বাধা ছিল। আইন অনুসারে, পারমাণবিক দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতির দায়ভার প্রকল্প নির্মাতাদের নয়, বরং ভারতীয় অপারেটরদের ওপর বর্তায়। এ কারণে সম্ভাব্য বিদেশি সরবরাহকারীরা এ ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে আপত্তি জানায়, যা ভারতের উচ্চাকাঙ্ক্ষী পারমাণবিক জ্বালানি পরিকল্পনাকে বারবার থামিয়ে দিয়েছে।

সুলিভানের এই ঘোষণা এমন একটি সময়ে এলো, যখন দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, প্রযুক্তি এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আরও দৃঢ় হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বাধাগুলো দূর করা গেলে, ভারতের পারমাণবিক জ্বালানির সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং উভয় দেশের জন্যই লাভজনক হবে।

উল্লেখ্য, এ পদক্ষেপের মাধ্যমে বিশ্ব জ্বালানি খাতে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদারিত্ব নতুন মাত্রা পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Visited 78 times, 1 visit(s) today