বিসিবি পরিচালক নাজমুল আবেদিন ফাহিম ও সভাপতি ফারুক আহমেদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণ লোভ-লালসা, পুরো বিষয়টি দেখে এমনটাই মনে হচ্ছে খালেদ মাহমুদ সুজনের। সাবেক এই পরিচালক বলছেন তাদের এই আচরণ লজ্জাজনক।
সুজনের কথার অবশ্য বাস্তবতাও আছে। বিসিবি পরিচালক থাকা ফাহিম বোর্ডের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগ চেয়েছিলেন। একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে তিনি বলেন, ‘আমি উপদেষ্টাকে (আসিফ মাহমুদ) বলেছি আমাকে যদি এটা (ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগ) দেওয়া না হয় তাহলে আমি খুবই অসন্তুষ্ট হবো।’
কয়েকটি গণমাধ্যমে গতকাল কাজের পরিবেশ না থাকার কথা বলে সরে যাওয়ার কথা বলেন ফাহিম। তার সঙ্গে ফারুক দুর্ব্যবহার করেছেন বলেও অভিযোগ করেন। পরে ফারুকও এই বিষয়ে কথা বলেন।
এবার এই দুজনের দ্বন্দ্ব নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বললেন ৫ অগাস্ট পরবর্তী সময়ে পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করা সুজন। বিপিএলে ঢাকা ক্যাপিটালসের কোচ সিলেটে ফাহিম-ফারুক দুজনকেই ধুয়ে দিয়েছেন, ‘কালকের একটা ঘটনা দেখলাম ফারুক ভাই ও ফাহিম ভাইয়ের (নাজমুল আবেদীন) দ্বন্দ্ব। এটা ব্যাথা দেয় যে, দুজনই সাবেক ক্রিকেটার। তাদের কেন ইগোর সমস্যা হবে! তারা তো ক্রিকেটের উন্নয়নের জন্যই আসছেন… এবং তারা যখন আসছেন, তখন তো অনেক কমিটমেন্ট করেছেন, আমি দেখেছিলাম। বিশেষ করে ফাহিম ভাই তো অনেক ইন্টারভিউ দিয়েছিলেন, অনেক বলেছেন যে, উনি অনেক দেখেছেন এবং সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা করছেন, চিন্তা করেছেন। সেগুলো আমি এখন দেখছি না। আমি দেখছি লোভ-লালসার মতো হয়ে যাচ্ছে যে, আমি অপারেশন্স (ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান) না পেলে কাজ করব না, পদত্যাগ করব। এটা তো লোভ-লালসা স্রেফ!’
‘এই লোভ-লালসা কেন তাদের মধ্যে আসে? আমার ক্রিকেট অপারেশন্সই নিতে হবে কেন? আমি যদি অন্য কমিটির চেয়ারম্যান হই, ওখানে সার্ভ করতে পারব না কেন? কেন, উনি কি ক্রিকেট অপারেশন্সের মাস্টার? উনার আগে তো আকরাম ভাই মাস্টার। উনি চাইতে পারে। কারণ আকরাম ভাই বাংলাদেশের সাবেক সফল অধিনায়ক এবং অপারেশন্স চেয়ারম্যানও ছিলেন। তাহলে উনি (নাজমুল আবেদীন) কেন বলছেন যে, অপারেশন্স ছাড়া হবেই না! এটা তো ইগোর ব্যাপার হয়ে যাচ্ছে। ফারুক ভাই-ফাহিম ভাই, আমার মনে হয় ইগোর সমস্যা। সত্যি কথা বলছি, এটা কী হচ্ছে… আই ডোন্ট নো।’
