সীমানা কমিয়ে বিপিএলে রান উৎসব

সীমানা কমিয়ে বিপিএলে রান উৎসব
শেয়ার করুন

টিকিট নিয়ে দর্শকদের সঙ্গে হাঙ্গামা, নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বে জেরবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বিপিএলের শুরু থেকেই নেতিবাচক খবরের শীর্ষে। নেতিবাচক আবহ আড়াল করতে একটু বেশি করে প্রচার হচ্ছে রান উৎসব। এবার উইকেট অনেক স্পোর্টিং বলে প্রচার করছেন বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ, এতে নিজেদের কৃতিত্ব জাহির করছেন তিনি। উইকেট স্পোর্টিং হলেও বিপিএলে মাঠের সীমানার আকার রাখা হয়েছে অনেক ছোট, যাতে বাউন্ডারির সংখ্যা বেড়ে গেছে অনেক।

বিপিএলে ঢাকা পর্বের প্রথম ধাপে ৮ ম্যাচে ১৬ ইনিংসে ১৬০ ছাড়ানো স্কোর দেখা গেছে ৯টি। দুইশোর উপর রান হয়েছে একাধিকবার। সেঞ্চুরি এসেছে দুটি। ৮ ম্যাচে ছক্কা হয়েছে মোট ১৩২টি। ম্যাচপ্রতি দাঁড়ায় ১৬.৫টি।

পরিসংখ্যান টি-টোয়েন্টির জন্য বেশ আকর্ষণীয়ই বটে। এমন না যে বিপিএলে আর কখনো স্পোর্টিং উইকেট হয়নি। মিরপুরেও স্পোর্টিং উইকেট দেখা গেছে আগেও। তবে শুরুতেই এমন রান উৎসবের পেছনে বাউন্ডারির আকৃতিও বড় এক কারণ।

মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ম্যাচগুলোতে দেখা গেছে ছোট বাউন্ডারির ম্যাচ। মূল উইকেট থেকে ৩০ গজের বৃত্তের বাইরে খুব বেশি জায়গা রাখা হয়নি সীমানার মধ্যে। মাঠের কোন প্রান্তেই বাউন্ডারির দূরত্ব ৬৫ গজের বেশি নয়। বেশিরভাগ দিকে বাউন্ডারি দেখা গেছে ৬০ গজের নিচে। এতে করে মিস টাইমিংগুলো ছক্কা হচ্ছে। বাউন্ডারির আকার আরেকটু বেশ হলে অনেক ছক্কার মার পরিণত হতে পারত আউটে।

এই ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিসিবির এক কর্মকর্তা বলছিলেন, ‘টি-টোয়েন্টিতে বাউন্ডারি একটু ছোটই থাকে তবে এবার বিপিএলে তারচেয়েও বেশি ছোট। সেটা হয়ত দর্শকদের বিনোদন দিতে করা হয়েছে।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নারীদের খেলায় বাউন্ডারির আকার থাকে অপেক্ষাকৃত ছোট, এবার নারীদের খেলায় বাউন্ডারি যে আকৃতির থাকে সেটাই রাখা হয়েছে বিপিএলে। এতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে গিয়ে ব্যাটারদের হিতে বিপরীত অবস্থায় পড়তে হতে পারে। অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসে ভুগতে পারেন তারা।

Visited 438 times, 1 visit(s) today