ঢাকা, ২২শে নভেম্বর- গত ১৪ই নভেম্বর আন্তঃমন্ত্রানালয় বৈঠকে গৃহীত সিন্ধান্ত মোতাবেক সকল স্কুলে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহত-নিহতদের স্মরনে স্মরণসভা এবং জুলাই অভ্যুথান এর ঘটনা প্রবাহ নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রানালয়কে।
১৪ই নভেম্বর উক্ত নির্দেশের প্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রানালয় গত ২০শে নভেম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধম্যিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে পত্র মারফত অভিহিত করে যে, নভেম্বর ৩০ তারিখের মধ্যে যে কোন একদিন উক্ত অনুষ্ঠান গুলো আয়োজন করার।
মাধমিক ও উচ্চমাধমিক শিক্ষাবোর্ড থেকে সকল স্কুল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে ৩০শে নভেম্বরে মধ্যে উক্ত অনুষ্ঠানগুলো আয়োজনের।
এদিকে প্রতিটা স্কুলে শুরু হয়েছে বার্ষিক পরীক্ষা, যে সব স্কুলে এখনো শুরু হয় নাই সেই সকল স্কুলে ডিসেম্বরের ১ তারিখ থেকে শুরু হবে বার্ষিক পরীক্ষা। এমন অবস্থায় প্রতিটা স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা আর শিক্ষকরা শেষ মুহুর্তের ফাইনাল পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে ব্যাস্ত। শিক্ষকরা নিজেরাও সন্দিহান পরীক্ষার মাঝে কি ভাবে কখন এই অনুষ্ঠান করা সম্ভব হবে।
কিছু অভিভাবকের সাথে আমাদের সংবাদ প্রতিনিধি কথা বলেছেন। তারা জানান,
“জুলাই আন্দোলনে আমরা নিজেরাও অংশগ্রহন করেছি, কিন্তু বার্ষিক পরীক্ষার মাঝে এভাবে কোন অনুষ্ঠান এর বাধ্যবাধকতা আসলে আমরা নিজেদের সন্তানদের পাঠাবো না। বরং আমরা চাইবো বাচ্চারা ঘরে বসে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিক।”
কেউ কেউ বলেন,
এমনিতেই আন্দোলন আর স্কুল বন্ধ হয়ে বাচ্চাদের অনেক সময় নষ্ট হয়েছে। এই অবস্থায় বার্ষিক পরীক্ষাকালীন এতো গুরুত্বপূর্ন সময়ে এইসব অনুষ্ঠান জোর করে চাপিয়ে দেয়া ঠিক হচ্ছে না।”
এই সব অনুষ্ঠান নিয়ে করে অভিভাবকদের মধ্যে অসন্তুষ্টি লক্ষ্য করা গেছে। 
