❐ স্থানীয় সংবাদদাতা
পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের দড়ি ভাউডাঙ্গা কদমতলা গ্রামে পদ্মার মাঠের পাশে অবস্থিত নুরে মদিনা মহিলা মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষক আবু ইউসুফকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন। ঘটনাকে ঘিরে উত্তেজিত জনতা মাদ্রাসায় ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।
স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, ২২শে অক্টোবর, বৃহস্পতিবার রাতে মাদ্রাসার এক ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে শিক্ষক আবু ইউসুফের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। ওই সময় আত্মরক্ষার্থে ছাত্রীটি মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নেয়।
পরে ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা আবু ইউসুফকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
আবু ইউসুফের বাড়ি সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের খালিশপুর গ্রামে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের কথা জানাজানি হওয়ার পর উত্তেজিত লোকজন মাদ্রাসাটিতে ভাঙচুর করে এবং আগুন লাগিয়ে দেয়।
খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
জানা গেছে, অভিযুক্ত শিক্ষক ও ভুক্তভোগী ছাত্রী—দুজনই পাবনা থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।
পাবনার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ বলেন, অভিযোগটির সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। তদন্তের ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
